৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, সোমবার
১৩ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

এখনও করোনা পৌঁছায়নি যেসব দেশে!

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ব্যতিব্যস্ত ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এরপরও বিশ্বে কিছু দেশ ও অঞ্চল রয়ে গেছে যেখান থেকে এখনও আসেনি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের কোনো খবর! যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সরবরাহ করা করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় এখন পর্যন্ত রয়েছে ১৮১টি দেশ ও অঞ্চল। তাতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ লাখ, মৃতের সংখ্যা ৬৫ হাজার ছুঁই ছুঁই। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার কোনো খবর আসেনি এমন দেশ বা অঞ্চল রয়েছে ১৮টি; কমোরোস, কিরিবাতি, লেসোথো, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাক্রোনেশিয়া, নাউরু, উত্তর কোরিয়া, পালাও, সামোয়া, সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ সুদান, তাজিকিস্তান, টোঙ্গা, তুর্কমেনিস্তান, টুভেলু, ভানুয়াতু ও ইয়েমেন। এরমধ্যে আরব দেশ দুটি। একটি আফ্রিকা ঘেঁষা ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ দেশ কমোরস। অন্যটি ইয়েমেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দারিদ্রপীড়িত দেশটিতে করোনার গ্রাসে পড়লে ভুগান্তির শেষ থাকবে না। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে সূত্রপাত করোনাভাইরাসের। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। সেই চীনের কূল ঘেঁষে অবস্থান করলেও এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে কোনো আক্রান্তের খবর প্রকাশ করেনি উত্তর কোরিয়া। যা অস্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন অনেকে। উত্তর কোরিয়ার মতো করোনার আক্রান্তের কোনো খবর পাওয়া যায়নি মধ্য এশিয়ার দুই দেশ তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান থেকেও। বহির্বিশ্বের সঙ্গে কম যোগাযোগের জন্য কভিড-১৯ থেকে দেশগুলোর রক্ষা পাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে অনেকের ধারণা। করোনায়া আক্রান্ত না হওয়া আফ্রিকা মহাদেশের দেশ তিনটি হলো- লেসোথো, দক্ষিণ সুদান ও সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে। তিনটি দেশেই প্রবেশ করা খুব কঠিন। এর মধ্যে গৃহযুদ্ধে জর্জরিত দক্ষিণ সুদান। করোনাভাইরাসের খবর না পাওয়া বাকিদেশগুলো দ্বীপদেশ- কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পালাউ, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টুভ্যালু, টোঙ্গা ও ভানুয়াতু। দেশগুলো সাগরের মাঝে অবস্থিত। দেশগুলোতে যাওয়াও ব্যয়বহুল ব্যাপার।