২২, জুলাই, ২০১৯, সোমবার | | ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪০

আইসিসির চোখে বাংলাদেশ!

আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯

আইসিসির চোখে বাংলাদেশ!

নিজেদের অষ্টম ম্যাচ পর্যন্ত সেমিফাইনালের দৌঁড়ে ছিল বাংলাদেশ। শেষ দুই ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত হয়। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও উইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় প্রমাণ করেছে টাইগারদের উন্নতি। এমন পারফর্মের ফলের আগামী টুর্নামেন্টগুলোতে বাংলাদেশ সমীহ অর্জন করে নিবে।

আইসিসির চোখে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে ইতিবাচক যা কিছু নিয়ে ফিরেছে তা হল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের পারফর্ম ও মাঠে সমর্থকদের ভালোবাসা ও সমর্থন। ৮ ইনিংস ব্যাটিং করে ৭টিতেই পঞ্চাশোর্ধ্ব রান সাকিবের। তার মোট ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট টুর্নামেন্ট সেরার দাবিদার। পঞ্চাশোর্ধ্ব গড়ে ৩৬৭ রান সংগ্রাহক মুশফিক নিজেকে আবারো প্রমাণ করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লিটন দাসের অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংসকে এক দুর্দান্ত ইনিংস আখ্যা দিয়েছে আইসিসি।

বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের দুইটি ম্যাচে ৫ উইকেটসহ মোট ২০ উইকেট ও সাইফের ১৩ উইকেট শিকারের সাথে সাথে স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের কিপটে বোলিংয়ের প্রশংসা করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলের উদীয়মান তারকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখা মুস্তাফিজকেই। তবে গত ৪ বছর ধরে দলের সেরা স্ট্রাইক বোলার হয়ে ওঠায় এই তরুণের কাঁধে এখন দলের একজন জেষ্ঠ্য খেলোয়াড়েরই দায়িত্ব সেটাও বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের উন্নতির জায়গা হিসেবে প্রথমেই বলা হয়েছে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কথা। মাশরাফি বিন মুর্তজার বুদ্ধিদ্বীপ্ত অধিনায়কত্বের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন রাখা হয়েছে এভাবে দলকে সামলে রাখতে পরবর্তী অধিনায়ক কে হতে পারেন। ব্যাটিংয়ে সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তামিম ইকবালের অবসরের পর লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের ওপর বড় দায়িত্ব যাবে বলে ধারণা করা হয়েছে। বিশেষ করে সৌম্যকে দারুণ প্রতিভাবান বলা হয়েছে, তবে তার মধ্যে ধৈর্যের অভাব। সূত্র: বিডিক্রিকটাইম