১৬, জুন, ২০১৯, রোববার | | ১২ শাওয়াল ১৪৪০

ঢাকার মাঠে দেখা যেতে পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে!

আপডেট: মে ২২, ২০১৯

ঢাকার মাঠে দেখা যেতে পারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে!

২০২০ সালে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালন করা হবে ‘মুজিব বর্ষ’। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এই আয়োজনে অংশ নেবে বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীকে রাঙিয়ে তুলতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে)। ফুটবল বিশ্বের পরাশক্তি দুটি দেশ অথবা ইউরোপের নামি দুটি ক্লাবের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঢাকার মাঠে দেখা যেতে পারে পাঁচবারের ফিফা ব্যালন ডি’অরজয়ী পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।

এর আগে ২০১১ সালে ঢাকার মাঠে খেলে গেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। সেবার মেসির নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলে আর্জেন্টিনা। ফুটবল বিশ্বের এই মেগাস্টার খেলেন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায়। দলটির নেতৃত্বও দেন মেসি। ইউরোপের দুটো জাতীয় দলের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ যদি না হয়, তাহলে  ইউরোপের জায়ান্ট ফুটবল ক্লাব লিভারপুল, বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ কিংবা পিএসজির মধ্যে যেকোনো দুটি দলকে আনার চিন্তা রয়েছে বাফুফের। আর বার্সেলোনাকে ঢাকায় আনলে বাফুফে চাইবে, অবশ্যই মেসি যেন দলের সঙ্গে আসেন। সেটা বাস্তবায়িত হলে আবার ঢাকায় দেখা যাবে এই আর্জেন্টাইন জাদুকরের ফুটবলশৈলী।

তবে বাফুফের প্রাথমিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ইউরোপের দুটো ফুটবল পরাশক্তি দেশের মধ্যে প্রীতি ম্যাচ আয়োজন। আর এ ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দের মধ্যে রয়েছে পর্তুগাল, ইতালি, জার্মানি ও ইংল্যান্ড দল। বাফুফে চাইছে পর্তুগাল বনাম ইতালি ম্যাচ আয়োজনের। আর সেটা বাস্তবায়িত হলে প্রথমবারের মতো ঢাকার মাঠে দেখা যাবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ইউরোপ থেকে দুটি দল কিংবা দুটি ক্লাবের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে চাই। আমাদের সভাপতি (কাজী সালাউদ্দিন) সেটা কমিটির সভাতে আগেই বলেছেন। আমরা যোগাযোগও শুরু করেছি। তবে এখনই কোনো কিছু নিশ্চিত হয়নি। আরো কিছুদিন পর বিস্তারিত বলা যাবে।’

পর্তুগিজ তারকা রোনালদোকে আনার বিষয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যদি আমরা পর্তুগাল দলকে পাই, তাহলে অবশ্যই লক্ষ্য থাকবে যেন রোনালদো আসেন। এ ছাড়া অন্য যে দলই পাই না কেন, সেই দলে যেন বড় তারকারা থাকে, সেটার দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা সামনে এগোব।’

তবে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে প্রীতি ম্যাচ আয়োজন সহজ কথা নয়। এমনকি বড় ক্লাবগুলোর মধ্যেও প্রীতি ম্যাচ আয়োজনে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। মূলত দলগুলোর ফুটবল ক্যালেন্ডার অনেক আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় বহুদিন আগে থেকেই যোগাযোগ করতে হয়। এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘সবার সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। চিঠি দিয়েছি। এজেন্সির সঙ্গে কথা বলছি। সাধারণত ম্যাচগুলো অনেক আগেই ঠিক হয়ে থাকে। আমাদের পক্ষে দল পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কেউ কেউ বলছে প্রস্তাব বিবেচনা করছে। কেউ আবার বলেছে, অনেক দেরি হয়ে গেছে। তবে আমরা আশা ছাড়ছি না।’