২০, জুন, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৬ শাওয়াল ১৪৪০

নবাবগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮

নবাবগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া যমুনা টেলিভিশন-যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের অবস্থানরত হোটেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। হামলায় প্রায় ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

সোমবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নবাবগঞ্জের শামীম গেস্ট হাউসে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়। এসময় হোটেলের নিচে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের বহনকারী ১৬টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় হোটেলের আসবাবপত্রও। সাংবাদিকরা প্রায় ঘণ্টাখানেক হোটেলে অবরুদ্ধ হয়ে থাকেন। তাৎক্ষণিক ভাবে, আইনশৃঙখলা বাহিনীকে হামলার ঘটনা জানানো হলেও হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

জানা গেছে, সাংবাদিকরা যে হোটেলে ছিলেন সোমবার বিকেলে তার নিচে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সালমান এফ রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্প বসানো হয়। সেখান থেকেই জড়ো হয়ে দুর্বৃত্তরা এ সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক সুশান্ত সিনহা সিএনআই’কে বলেন, অতর্কিত ৩০-৩৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী আমাদের হোটেলে হামলা চালায়। আমরা থানা নির্বাহী অফিসার, পুলিশের ওসিকে জানালেও কোনো ধরনের সাড়া পাইনি। গণমাধ্যমকর্মীরাই যদি এভাবে আক্রান্ত হন, তাহলে এখানে সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা কোথায়?

দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার ইয়াসিন সিএনআই’কে জানান, আমরা কয়েকজন চা খাওয়ার জন্য হোটেল থেকে নিচে নামতে যাই। এ সময় সিঁড়ি থেকেই শোনা যায় নিচে হট্টগোলের শব্দ। একটু নিচে গিয়ে দেখি রড, হকিস্টিক ও দেশীয় অস্ত্রসহ মুখোশপরা বেশ কয়েকজন যুবক উপরের দিকে হামলার জন্য আসছে। আমরা দৌঁড়ে উপরে উঠে যাই। এরপর সন্ত্রাসীরা প্রায় ঘণ্টাখানেক হামলা-ভাঙচুর চালায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নবাবগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর কামরুল ইসলাম সিএনআই’কে বলেন, হামলাকারীরা যে প্রার্থী বা দলের সমর্থক হোক না কেনো তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একাধিকবার চেষ্টা করেও ওসি’র কাছ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি এমন অভিযোগের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, তিনি সম্ভবত মিটিংয়ে ছিলেন।

হামলার সময় বাহির থেকে হোটেলের দিকে আসছিলেন যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক আবদুল্লাহ তুহিন। তিনি বলেন, সহকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেই। কিছুদূর আগানোর পর আমরা রাস্তায় জটলা দেখতে পাই।

এর আগেও ঢাকা-১ আসনে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীদের যানবাহনে হামলার ঘটনা ঘটেছে।