১৮, এপ্রিল, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১২ শা'বান ১৪৪০

ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা

আপডেট: মার্চ ২১, ২০১৯

ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা

দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসক আপনার রোগের লক্ষণ নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করবেন এবং কিছু শারীরিক পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হয়। রোগের লক্ষণ অন্য রোগীর রোগের লক্ষণের সঙ্গে মিলে গেলেও রোগটি একই না-ও হতে পারে। তাই পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

পালসোনারি ফাংশন টেস্ট বা ফুসফুসের শ্বাসের পরীক্ষা- ফুসফুস সঠিকভাবে কাজ করছে নাকি বায়ু চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে কিংবা ফুসফুস শুকিয়ে আয়তন কমে যাচ্ছে কিনা তা নির্ণয়ের জন্য এ পরীক্ষা করা হয়।

পালস অক্সিমেস্ট্রি- যন্ত্রের মাধ্যমে নাড়ির গতি ও শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ জানা যায়। সহজ এ পরীক্ষায় মাদুলের মাথায় অক্সিমিটার লাগানো হয়। এর মাধ্যমে চিকিৎসক বুঝতে পারেন শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি আছে কিনা। পরীক্ষাটি বিশ্রাম অবস্থায় অথবা ব্যায়াম করা অবস্থায় অথবা ব্যায়াম করার পরে করা যেতে পারে।

ধমনির রক্তের গ্যাস পরীক্ষা- ধমনিতে অক্সিজেন ও কার্বনডাই অক্সাইডের পরিমাণ নির্ণয় করা যায়।

বুকের এক্সরে- এই পরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুস স্বাভাবিক নাকি ছোট বা বড় হয়ে গেছে তা বোঝা যায়। ফুসফুসে ইনফেকশন, ফুসফুসে পানি আসা, হার্টের কারণে ফুসফুসের রোগসহ আরও অনেক কিছু বোঝা যায়।

বুকের সিটিস্ক্যান- বুকের এক্সরের চেয়ে ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখ আরও পরিষ্কার বোঝা যায়।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রাশিদুল হাসান
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ইনজিনিয়াস পালমোফিট, প্যামলি, ঢাকা।

মোবাইল- ০১৭০১৬৭৭৭৮৮।