১৮, এপ্রিল, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১২ শা'বান ১৪৪০

ফোর্বস এশিয়ার সামাজিক উদ্যোক্তা তালিকায় ‘পাঠাও’র সিইও ইলিয়াস

আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০১৯

ফোর্বস এশিয়ার সামাজিক উদ্যোক্তা তালিকায় ‘পাঠাও’র সিইও ইলিয়াস

এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের তরুণ সামাজিক উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা হুসাইন এম ইলিয়াস।

অ্যাপের মাধ্যমে রাইড শেয়ারিং পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হুসাইন এম ইলিয়াস।

ফোর্বস ম্যাগাজিন চলতি বছর এশিয়ার ২৩টি দেশ থেকে কয়েক হাজার তরুণের মধ্যে থেকে ৩০ বছরের নীচের ৩০ তরুণকে বেছে নিয়েছে।চতুর্থবারের মতো করা তালিকায় ১০ ক্যাটাগরিতে ৩০০ জনকে স্থান দেয়া হয়েছে।

ফোর্বসের সেই তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন হুসাইন ইলিয়াস। ইতোমধ্যে তার প্রতিষ্ঠান পাঠাও দেশে অন্তত দুই লাখ তরুণের ফ্রিল্যান্স কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে।

তালিকায় প্রথমবারের মতো স্থান করে নিয়ে চমক দিয়েছে এশিয়ার দেশ মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিস্তান ও লাওসের সামাজিক উদ্যোক্তারা। এর ফলে তালিকাটি আরও বহুমুখী হয়েছে বলে জানায় ফোর্বস।

ম্যাগাজিনটি বলছে, তারা এই সামাজিক উদ্যোক্তা খুঁজতে গিয়ে এতো এতো সব কাজ পেয়েছে যা বাস্তবায়ন করতে পারলে এই তরুণরা বিশ্বকে বদলে দিতে পারবে। তাদের ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও কিছু তাদের উদ্যোক্তা খোঁজার নীতিমালায় না পড়ায় তাদেরকে জায়গা করে দিতে পারেননি।

এসব উদ্যোগের মধ্যে বেশিরভাগই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে খাবার, এনার্জি সম্পর্কিত শিল্প। এছাড়াও বেশ কিছু উদ্যোক্তা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানে কাজ করেছেন। এর বাইরে বড় একটি খাত হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্যোগও নিয়েছেন অনেকেই বলে জানায় ফোর্বস।

চলতি বছরের তালিকায় সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে শীর্ষস্থানে রয়েছে পাঁচ দেশ। এগুলো হলো, চীন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুর। তালিকায় স্থান পাওয়া ৭০ শতাংশ তরুণ সেই উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা ও সহপ্রতিষ্ঠাতা।

ফোর্বস বলছে, এসব তরুণ সপ্তাহে কমপক্ষে ৬৮ ঘণ্টা করে কাজ করেছে নিজেদের উদ্যোগ নিয়ে। এদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করিয়েছেন।

হুসাইন এম ইলিয়াসের পাশাপাশি ফোর্বসের তালিকায় থাকা আরেক বাংলাদেশী উদ্যোক্তা মোরশেদ আবদুল্লাহ আল। তিনি মূলত কার্টুনিস্ট। তার উদ্যোগ মোরশেদ মিশুর ইলাস্ট্রেশন।

২০১৫ সালে পাঠাও বাংলাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করলেও পরে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ নিয়ে আসে। এরপরই জনপ্রিয় হয় পাঠাওয়ের রাইড শেয়ারিং। বাইক ও গাড়ির মাধ্যমে পাঠাওয়ে রাইড শেয়ার করা যায়। এছাড়াও রয়েছে পাঠাও ফুড সার্ভিস।

পাঠাও বর্তমানে বাংলাদেশে পাশাপাশি নেপালেও কাজ করছে। ১০০ মিলিয়ন কোম্পানি হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে পাঠাওয়ের।