২৬, জুন, ২০১৯, বুধবার | | ২২ শাওয়াল ১৪৪০

বগুড়ায় বন্দুকযুদ্ধে’ লিটন ও আফসার নামে ২ চরমপন্থী নিহত

আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯

বগুড়ায় বন্দুকযুদ্ধে’ লিটন ও আফসার নামে ২ চরমপন্থী নিহত

বগুড়ার শেরপুরে ‘নিজেদের দু’পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে’ লিটন ও আফসার নামে চরমপন্থী সর্বহারা দলের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত ২টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজের কাছে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং সর্বহারা দলের কয়েকটি পোস্টার উদ্ধার করেছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

বগুড়ার শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশের কাছে খবর আসে যে, ভবানীপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজের কাছে চরমপন্থী সর্বহারা দলের দু’পক্ষের বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছে। খবর পেয়ে তিনি এবং বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা সেখানে দুই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, বন্দুকযুদ্ধে আহত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তারা নিজেদের লিটন এবং আফসার বলে পরিচয় দেয়। পরে তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে চরমপন্থী দলের সদস্যদের ফেলে যাওয়া ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ওয়ান শুটার গান, ৮ রাউন্ড গুলি, ২টি চাপাতি এবং ৩টি পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে গত ৮ এপ্রিল রাতে ভবানীপুর বাজারেই চরমপন্থীরা টহল পুলিশ দলকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। তাদের গুলিতে শেরপুর থানার এএসআই নান্নু মিয়া (৪২) আহত হন। গুরুতর আহত নান্নু মিয়া বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। সেদিন ওই এলাকা থেকে চরমপন্থীদের লাগানো বেশকিছু পোস্টার এবং ‘গণযুদ্ধ’ নামে একটি পত্রিকাও উদ্ধার করা হয়। পোস্টারগুলোতে ৯ এপ্রিল পাবনায় চরমপন্থীদের আত্মসমর্পণের বিরোধিতা করে লেখা ছিল, ‘পাবনায় কয়েকটি বিপ্লবী সংগঠনের নামে রাষ্ট্রীয় চক্রান্তে ছয় শতাধিক সদস্যের নাটকীয় আত্মসমর্পণকে প্রত্যাখ্যান করুণ-মার্কসবাদ, লেনিনবাদ জিন্দাবাদ।’