২৩, মার্চ, ২০১৯, শনিবার | | ১৬ রজব ১৪৪০

বসন্ত ও ব্রণের দাগে ভরে গেছে মেহজাবিনের মুখ!

আপডেট: মার্চ ১৩, ২০১৯

বসন্ত ও ব্রণের দাগে ভরে গেছে মেহজাবিনের মুখ!

ছোট পর্দার প্রিয়মুখ মেহজাবিন চৌধুরী। নতুন করে তার পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। নিজেকে কিভাবে বারবার ভাঙতে হয় আর গড়তে হয় তার প্রমাণ মেহজাবিন নিজের অভিনয়ের মাধ্যমেই দিয়েছেন। মায়াবী চেহারার মেহজাবিনের রূপের মুগ্ধতায় যেকোনো যুবক নিমিষেই হারিয়ে ফেলে নিজেকে। মনে মনে ভাবনার ওপারে চলে যায় তার রূপে নিজেকে হারিয়ে। তার আনিন্দ্য সুন্দর কথা বলার ঢং, ঠোটে মিষ্টি হাসি, নীল হরিণী চোখের চাহনী যুবক হৃদয়ে ঝড় তোলার জন্য যথেষ্ঠ। কিন্তু এবার এ সুদর্শনার কাল হলো তার রূপ।

হঠাৎ করে গায়ের রঙ চাপা শ্যামলা হয়ে গেছে তার। সমস্ত মুখ জুড়ে কালো কালো দাগে ভরে গেছে। এ মেহজাবিনকে কেই দেখেনি আগে। পাঠক প্রিয় এ অভিনেত্রীকে নিয়ে হয়তো এরই মধ্যে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন!

দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ বাস্তবে মেহজাবিনের কিচ্ছু হয়নি। এমন লুকে এ গ্ল্যামার গার্লকে দেখা মিলবে বি.ইউ শুভ পরিচালিত ‘মেঘের বাড়ি যাবো’ নাটকে। নাটকটিতে মেহজাবিনের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব।

নাটকের দৃশ্যে দেখা যাবে, মেহজাবিন নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার গায়ের রঙ চাপা শ্যামলা। সমস্ত মুখ জুড়ে কালো কালো দাগ। এগুলো বসন্ত ও ব্রণের দাগ! একই অফিসে চাকরি করেন অপূর্ব। তারও একটি রোগ রয়েছে। চুলকানির সমস্যা। ইলিশ, চিংড়ি মাস, বেগুন, গরুর মাংস জাতীয় খাবার খেতে পারেন না তিনি।

এ নিয়ে দুজনেই অফিসের সহকর্মীদের থেকে কথা শুনতে হয়। অনেক ঘটনার পর অপূর্ব-মেহজাবিনের মধ্যে প্রেম হয়। এরপরের গল্প অন্যরকম।

নির্মাতা শুভ বলেন, আশা করছি এ কাজটি সবার মাঝে সাড়া ফেলবে। অপূর্ব-মেহজাবিন দুজনেই একেবারেই ব্যতিক্রম একটা কাজ করছে। বিশেষ করে মেহজাবীন গ্ল্যামারস লুক বেরিয়ে নতুন একটি চরিত্রে কাজ করছে।

চয়ন দেবের রচনায় এ নাটকটিতে অপূর্ব-মেহজাবিন ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন শরীফ সরকার, ইরা ও সানজিদা আলমসহ অনেকে।  ‘মেঘের বাড়ি যাবো’ নাটকটি আসছে পহেলা বৈশাখে অনলাইন প্লাটফর্মে প্রচার হবে।