১৮, জুন, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

“স্যোসাল এন্ট্রাপ্রেনারশিপ ১০১: স্টার্ট এন্ড গ্রো ইউর বিজনেস” অনুষ্ঠিত

আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০১৯

“স্যোসাল এন্ট্রাপ্রেনারশিপ ১০১: স্টার্ট এন্ড গ্রো ইউর বিজনেস” অনুষ্ঠিত

গত ১৯ এপ্রিল রাজধানীর পান্থপথের এস.ই.এল সেন্টারে ইয়ুথ স্কুল ফর স্যোসাল এন্ট্রিপ্রিনিউরস (ওয়াই.এস.এস.ই)- এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো “Social Entrepreneurship 101: Start & Grow Your Business “দ্বিতীয় ব্যাচের কর্মশালা। ব্যবসা করার আইডিয়াটা ঠিক কিভাবে এসেছে, ব্যবসায়িক প্রস্তাবনা লিখন, যেকোনো ব্যবসায়িক আইডিয়াকে বাস্তবে রূপদানকরণ এবং ঝুঁকি নিরূপণপূর্বক নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা থেকে উত্তরণ, নতুন পণ্য বাজারজাতকরণ ও ব্যবসায়ের টেকসই নিশ্চিতকরণ এই ছয়টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের নিরিখে আলোকপাত করা হয় উক্ত কর্মশালায়। অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালা শেষে নিজ নিজ শিক্ষাকে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সমাজ এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে অবদান রেখে যাবার নিমিত্তে সর্বাত্মকভাবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছেন। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী দীর্ঘ এই কর্মশালার প্রতিটি সেশনই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত সফল ব্যবসায়ী, বিভিন্ন অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত সুদক্ষ ব্যক্তিবর্গ অত্যন্ত যত্নের সাথে পরিচালনা করেছেন।

কর্মশালা পরিচালনায় যারা অবদান রাখেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডক্টরোলা ডট কম-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মো: আব্দুল মতিন ইমন, অগমেডিক্স বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর রাশেদ মুজিব নোমান, ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা মো: আদনান হোসেন, সাজিদা ফাউন্ডেশন-এর এ্যাসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার পানুয়্যেল রোজারিও প্রিন্স এবং স্মার্টিফায়ার একাডেমী-এর সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মো: সোহান হায়দার।

স্বল্পদৈর্ঘ্যের এই সেশনগুলো থেকে সরাসরিভাবে মাঠ পর্যায়ে হাতে কলমে কাজ করার অভিজ্ঞতা লাভ সম্ভব না হলেও ব্যবহারিক একটা ধারণার উন্মেষ ঘটেছে নিঃসন্দেহে এবং সেশনগুলো থেকে গৃহীত শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা সঠিকভাবে প্রয়োগ করে ব্যক্তিগত জীবনে তথা রাষ্ট্রীয়ভাবেও অবদান রাখার প্রয়াসে অটল থাকতে সঠিক দিকনির্দেশনা পেয়েছেন বলে মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা। একই সাথে, তারা মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের আওতায় নিজেদের স্টার্ট আপ দাড়ঁ করাতে তথা ব্যবসায়িক উদ্যোগকে সফলভাবে বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সাহচর্যে আসতে পারবেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের সহায়তা পাবেন বলে ধারণা ওয়াই.এস.এস.ই-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেনের। সকল অংশগ্রহনকারী ও মেন্টরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক জটিলতা কাটিয়ে উঠে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অবদান রাখার সুযোগ করে দেবার জন্য ভবিষ্যতে এরকম আরো কর্মশালা আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করার মাধ্যমেই সমাপ্ত হয় পুরো দিনব্যাপী এই কর্মশালা।