৬, ডিসেম্বর, ২০১৯, শুক্রবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪১

অত্যাচারে ক্ষান্ত হননি পাষন্ড স্বামী, অবশেষে নিলেন প্রাণটাই!

প্রকাশিত: ১:০৬ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ৩০, ২০১৯

অত্যাচারে ক্ষান্ত হননি পাষন্ড স্বামী, অবশেষে নিলেন প্রাণটাই!

সিএনআই ডেস্ক: রাজধানীর কুড়িলে স্বামীর ছুরিকাঘাতে কানিজ ফাতেমা টুম্পা (২৫) নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী নিহত হয়েছেন।

নিহত টুম্পার বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য কাটাদিয়া গ্রামে। পরিবার থাকে কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায়। চার বোনের মধ্যে সবার বড় সে।

বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাত করেন স্বামী সাফকাত হাসান রবিন। তখনই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। টুম্পা শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

টুম্পার ছোটোবোন আয়শা আক্তার জানান, তারা কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করে। ঐ এলাকার সাফখাত হাসান রবিনের সঙ্গে টুম্পার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক। দুই মাস আগে রবিন টুম্পাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর টুম্পা রবিনদের বাসায় থাকা শুরু করে। কিন্তু রবিন মাদকাসক্ত হওয়ায় বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক সমস্যা শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার টুম্পাই বাবা-মাকে ফোন করে তাকে নিয়ে যেতে বলে। পরে তার খালা নাজমা তাকে আনতে যান। আনার পথে চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে পিছন থেকে টুম্পার পিঠে রবিন ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর রাতে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ভাটারা থানার ওসি মোক্তারুজ্জামান জানান, নিহত ছাত্রীর পরিবারের কেউ এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি। তবে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। সব তথ্য জানার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরই মধ্যে অভিযুক্ত রবিনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু হয়েছে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।