২৬শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, রবিবার
৩০শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

এভারেস্টকে ঘিরে বাড়ছে গাছ, বাড়ছে বিপদ

প্রকাশিত: ১:১০ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ১২, ২০২০

এভারেস্টকে ঘিরে বাড়ছে গাছ, বাড়ছে বিপদ

সিএনআই ডেস্ক: এভারেস্ট ও হিমালয় অঞ্চলে ঘাস, শ্যাওলা ও ঝোপঝাড় বাড়ছে। আর এটাকে গবেষকরা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কুফল হিসেবে দেখছেন।

হিমালয়ের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বরফসীমায়ও বিভিন্ন ধরনের গাছপালা ও উদ্ভিদের সংখ্যা বাড়ছে যা যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট ডাটা ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়েছেন।

১৯৯৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নাসার ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে ১৩ থেকে সাড়ে ১৯ হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যে ‘ক্ষুদ্র তবে উল্লেখযোগ্য’ গাছপালা ও উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপ করা হয়েছে। দূরবর্তী সংবেদনশীল বিষয়ক বিজ্ঞানী ক্যারেন এন্ডারসন এ তথ্য থেকে বলেন, এখন অনেক বেশি এলাকায় উদ্ভিদ ছড়িয়ে পড়েছে এবং উল্লেখযোগ্য হারে সব ধরনের উচ্চতায় বেড়ে চলেছে। গাছপালা ও উদ্ভিদের এই বৃদ্ধি পরিবেশে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে তা যাচাইয়ের জন্য দ্রুত গবেষণার দাবি জানান তিনি।

এই অঞ্চল থেকে পাওয়া পানির ওপর প্রায় দেড়শ কোটি মানুষ নির্ভরশীল। তাই পানি সরবরাহের চক্রে যে কোনো পরিবর্তন এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের জনগণের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষকরা বলছেন, উদ্ভিদ ও পানির চক্র অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। গাছপালা যখন বাড়বে তখন পানির প্রভাবচক্রও ভিন্ন আচরণ করতে পারে।

ইতোমধ্যে দেখা গেছে, হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ কমেছে। অতএব পানির সরবরাহ চক্রে প্রভাব পড়েছে এবং এটা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া জলবায়ুর পরিবর্তন হিমালয়ান সম্প্রদায়গুলোর ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলছে।

ব্রিটিশ কলম্বিয়ার একটি গবেষণা বলছে, হিমালয়ের হিমবাহ প্রতিবছর দেড় ফুট করে বরফ হারাচ্ছে যেটা এই শতাব্দীর শুরুতে শুরু হয়েছিল। এর জন্য প্রতিবছর স্থানীয় জনগণ আগের চেয়ে বেশি বন্যার কবলে পড়ছে।

আন্তঃসরকারি সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের গত বছরের গবেষণায় দেখা যায়, এই শতাব্দীর শেষে এভারেস্ট ও কে ২-এর আবাসস্থল অঞ্চলের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ বরফ গলে গিয়েছে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।