২৮শে মার্চ, ২০২০ ইং, শনিবার
৪ঠা শাবান, ১৪৪১ হিজরী

শেরপুরে ঘোড়ার ভাস্কর্য অপসারণ করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের দাবি

প্রকাশিত: ৭:০৭ অপরাহ্ণ , জানুয়ারি ২৩, ২০২০

শেরপুরে ঘোড়ার ভাস্কর্য অপসারণ করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের দাবি

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের থানামোড়স্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে পৌরসভার উদ্যোগে স্থাপিত আরোহীসহ একটি ঘোড়ার ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে ৭ দিনের আলটিমেটাম দিয়ে মানববন্ধন করেছে জেলা নাগরিক সমাজ নামে একটি সামাজিক সংগঠন। এর মধ্যে ভাস্কর্যটি অপসারণ করা না হলে জনতার উদ্যোগে অপসারণ করে সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপন করার ঘোষণাও দিয়েছেন সংগঠনের নেতারা। ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত শহরের থানামোড়স্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শেরপুর জেলা নাগরিক সমাজের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান, সদস্য সচিব মিনহাজ উদ্দিন মিনাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা তালাপতুফ হোসেন মঞ্জু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইফতেখার হোসেন কাফী জুবেরী, জেলা ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সদস্য সচিব আ স ম সোহেল নয়ন, কবি-সাংবাদিক তালাত মাহমুদ, সমাজসেবক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

ওইসময় বক্তারা পৌরসভা স্থাপিত ভাস্কর্যটি সাম্রাজ্যবাদী জমিদারদের প্রতীক এবং তা শেরপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পরিপন্থী হওয়ার পাশাপাশি দেখতেও অশোভন বলে উল্লেখ করে আলটিমেটাম দেওয়া সময়ে যদি তা অপসারণ করা না হয়, তবে জনতা নিয়ে তা অপসারণ করা হবে এবং সেই জায়গায় জনতার খরচেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেন। মানববন্ধনে জেলা সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, সাংবাদিক, জেলা ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, বিভিন্ন স্তরের আওয়ামী লীগ নেতা, জেলা কমিউনিস্ট পার্টিসহ শহরের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। অন্যদিকে ওই ভাস্কর্য অপসারণের দাবির বিষয়ে পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন বলেন, ভাস্কর্যটি মূলতঃ শেরপুরের একটি ঐতিহ্য স্মারক। এটি অপসারণের যৌক্তিকতা দেখি না।

উল্লেখ্য, পৌরসভার দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রায় ৩ মাস আগে ওই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকেই ভাস্কর্যটি নিয়ে শহরে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। এক পর্যায়ে গত ২ জানুয়ারি নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ ৭ দিনের মধ্যে তা অপসারণ এবং তদস্থলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপনের জন্য আল্টিমেটাম দিয়ে পৌরসভার মেয়রের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় পরবর্তীতে  সভায় সরব আলোচনার প্রেক্ষিতে তা অপসারণে আশ্বস্ত করা হয়।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।