২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার
২৫শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

সিলেটে শহিদ মিনার অবলোকন কর্মশালা সম্পন্ন করলো বাশু বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ৭:১০ পূর্বাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২০

সিলেটে শহিদ মিনার অবলোকন কর্মশালা সম্পন্ন করলো বাশু বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিবেদক: কেমন আছে শহিদ মিনার?” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাশু বাংলাদেশ তথা বাশু বানান শুদ্ধকারী সংগঠনের শব্দযোদ্ধারা এবার নেমেছেন শহিদ মিনারের অবস্থা পর্যবেক্ষণে। বানান এবং স্তম্ভগুলোর হাল যাচাই করতে এই কার্যক্রম শুরু হয় গত ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ কালীঘাঁট শহিদ মিনার অবলোকনের মাধ্যমে এবং গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ শহিদ মিনারের ‘শহিদ’ বানানে শহীদ লেখা রয়েছে। কালীঘাট সিলেট সরকারি পাইলট হাই স্কুলের পাশের শহিদ মিনারের অবস্থা বেশি নাজুক। স্টিলের রেলিং ভেঙ্গে বেঁকে গেছে, সূর্যের লাল রং চিরে সিমেন্ট দেখা যাচ্ছে। দেয়ালে নানা পোস্টার এবং ঠিক সামনেই চা- মুড়ির পসরা সাজিয়ে বিক্রি চলছে। সেখানে কোনো নামফলক চোখে পড়েনি।

সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারেও ভুল বানান চোখে পড়েছে প্রচুর। শহীদ মিনার বানান সংশোধন করা হয়নি।

 

 

অন্যান্য ফলকেও বানান ভুল চোখে পড়ার মতো। দুই বানানে একই শব্দ! এমনও দেখা গেছে।
শহিদ মিনারের পাশে অবহেলায় পড়ে আছে দুজন ভাষা সৈনিকের কবর। নামফলক পড়ার মত অবস্থায় স্থাপন করা হয়নি।

তবে বাশুর পর্যবেক্ষকরা এক দিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তা হচ্ছে শহিদ মিনারের পাশের একটি দেয়ালে সিলেটে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং এই আন্দোলনে অবদান যারা রেখেছেন তাদের বর্ণনা সম্বলিত একটি ফলক আছে তারপাশাপাশি দুজন ভাষা শহিদ ভাষা সৈনিকের অবদানকেও দুইটি বড় বড় ফলকে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 

 

এই দুই স্থান পর্যবেক্ষণ এর পাশাপাশি সিলেট এমসি কলেজ এর শহিদ মিনারের সাইনবোর্ডে বানান ভুল দেখা গেছে। সিলেট জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের শহিদ মিনারের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করা হয়। দেয়ালের অঙ্কিত শহিদ মিনার এবং ফেব্রুয়ারি বানান ভুল চোখে পড়েছে।

মোটকথা প্রায় সব স্থানেই শহিদ এবং ফেব্রুয়ারি বানান ভুল লক্ষ্য করা গেছে। আর কিছু কিছু শহিদ মিনার চরমভাবে অবহেলিত।

 

 

এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং বানান সংশোধনের আহবান জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকেরা। প্রয়োজনে বাশুর শব্দযোদ্ধারা শহিদ মিনার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে চায় বলেছেন বাশু বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইসফাক আহমদ (জেনন জিহান)
উক্ত কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাশু বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইসফাক আহমদ, সিলেট জেলার শব্দযোদ্ধা মো. শাহজাহান আহমেদ সাজু, আব্দুর রাজ্জাক, যুবায়ের সাইফুল্লাহ, আশরাফুল ইসলাম, পঙ্কজ দেবনাথ, মো. এহিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

সিএনআই/এসআই


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।