১লা এপ্রিল, ২০২০ ইং, বুধবার
৮ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

তিস্তার চরে ফুটছে কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশিত: ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ , ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

তিস্তার চরে ফুটছে কৃষকের মুখে হাসি
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট জেলার  অববাহিকায় তিস্তা নদী বিস্তৃত। তিস্তার বুকে জেগে ওঠেছে চর। বর্ষায় দেখা যায় সবত্র পানি আর পানি। শুষ্ক মৌসুমে শুধু ধুধু বালুচর। আর এই বালুচরের ঝরঝরে বালুতেই চাষ হচ্ছে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ। তাই তো ঘরে বসে নেই কেউ তিস্তা পারের কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন, মিষ্টি কুমড়ো, পেয়াজ, বাদাম, তামাক ইত্যাদি চাষে।
তিস্তার বালুচড়ে কুমড়োর চাষকে বানিজ্যিক রুপ দিয়েছেন মোফাজ্জল হোসেন,মুকুল মিয়া সহ অনেকেই। বালুচরে নির্দিষ্ট ভূমি মাপ না থাকলেও, গোর্ধনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজুল মেম্বারের ছেলে মোফাজ্জল  হোসেন প্রায় ৪ একর জমিতে মিষ্টিকুড়োর চাষ করেছেন।প্রতিকেজি মিষ্টিকুমড়ো ১৪ টাকা কেজি দর হাকিয়েছেন, প্রতিটির গড় ওজন ৪কেজি। ফলন নিয়ে বেশ আশাবাদী হলেও তিনি কোন ধরনের  সুযোগ সুবিধা পাননি।
জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের স্পারবাঁধের পাশে মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে মুকুল মিয়াও চাষ করেছেন মিষ্টিকুমড়ো। তার ক্ষেতেও দেখা যায় অনেক  মিষ্টিকুমড়ো। তিনি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চাষের জন্য বীজ,সার,এবং পরামর্শ পেয়েছেন।  মুকুল মিয়া জানান, প্রত্যেকটি গর্তে চারটি করে চারা লাগিয়েছেন। প্রতিটি গাছ হতে ১০ থেকে ১৫ টি করে কুমড়োর ফলন হবে।
কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ আলিনূর রহমানের সাথে  তিস্তার চরাঞ্চলের চাষাবাদ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, লালমনিরহাটের তিস্তার চরে বাদাম,কুমড়ো,ভুট্টার ব্যপক সম্ভবনা রয়েছে ।তবে, বাধ্যকতার কারণে সব কৃষককে পৌছে দেয়া যাচ্ছেনা বীজ, সার এবং সঠিক পরামর্শ।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।