৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার
১৩ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

১৬ লাখ টন ভোজ্যতেলের বিপরীতে দেশের জোগান মাত্র ২ লাখ টন

প্রকাশিত: ৭:০০ অপরাহ্ণ , মার্চ ১৩, ২০২০

১৬ লাখ টন ভোজ্যতেলের বিপরীতে দেশের জোগান মাত্র ২ লাখ টন

রংপুর প্রতিনিধি: দেশে বছরে ১৪ লাখ টন ভোজ্যতেলের ঘাটতি আছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইন্সটিটিউট-বিনার মহাপরিচালক ড. বিরেশ কুমার গোস্বামী বলেছেন, দেশে বছরে ১৬ লাখ টন ভোজ্যতেল প্রয়োজন। এর বিপরীতে আমরা মাত্র ২ লাখ টন জোগান দিতে পারি। এই বিশাল ঘাটতি মোকাবেলায় বিনার গবেষক দল উন্নত জাতের সরিষা, তিল, উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পুরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার রংপুর উপকেন্দ্রের হলরুমে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল তৈলবীজ শস্যের জাত পরিচিতি, চাষাবাদ কলাকৌশল ও বীজ সংরক্ষন শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বিনা রংপুর উপকেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রংপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশীষ কুমার সাহা, বিনা ময়মনসিংহের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আব্দুল মালেক। বিনা রংপুর উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের উপস্থাপনায় এসময় কর্মশালা সহযোগি ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোতাব্বের হোসেন ও রিসার্স এসোসিয়েট আল আমিন।

এসময় মহাপরিচালক বলেন, নিরলসভাবে গবেষণা করে উন্নত জাত আবিস্কার করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পরমানু গবেষণা ইন্সটিটিউট। এরমধ্যে উচ্চফলনশীল সরিষার জাত ১০ টি, সয়াবিনের জাত ৭ টি, তিলের জাদ ৪ টি এবং বাদামের জাত রয়েছে ১০ টি। এভাবে আমরা উচ্চ ফলনশীল জাত আবিস্কারের দিকে যেমন জোড় দিচ্ছি। একইভাবে উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও আমরা জোড় দিচ্ছি।

তিনি বলেন, সরিষার একটি সময়সীমা রয়েছে। সেই সময়ের মধ্যে সরিষা আবাদ করতে না পারলে পলন ভালো হয় না। আমরা সেই জায়গায় গবেষনা করে সরিষার বিনা ৪ ও ১০ জাত আবিষ্কার করেছি। যা স্বল্প মেয়াদী হওয়ায় সময় শেষ হওযার পরেও আবাদ করলেও এর ফলন ভালো হয়। একারণে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহও বাড়ছে।পরে তিনি রংপুর মহানগরীর নজিরেরহাটে কষৃক মকবুল হোসেনের বিনা সরিষা-৯ এর মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এসময় কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় কৃষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।