৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং, শুক্রবার
৯ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকল্পে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমান আদালত

প্রকাশিত: ৬:২৬ অপরাহ্ণ , মার্চ ২১, ২০২০

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকল্পে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমান আদালত
সিএনআই ডেস্কঃ আজ শনিবার সকাল ১১ টা থেকে ঢাকার বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি বাজারে একযোগে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। চলমান করোনা ভাইরাস উদ্বেগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যাবসায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে, ফলে সাধারন জনগণে ভোগান্তি নিরসনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে।
এতে অঞ্চল ৪ এর আওতাধীন ২ টি বাজার এ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত করেন অঞ্চল ৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহা বিনতে সিরাজ। প্রায় সব দোকানে মূল্য তালিকা পাওয়া গেছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সঠিক দামেই বিক্রয় হচ্ছে। কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা অভিযোগ করেন যে, তাদের কেনা দাম বেশি। এরই প্রক্ষিতে বড় পাইকারি বাজারগুলোতে আড়তদার এর দোকান গুলোতেও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে তিনি জানান। মূল্য তালিকা না থাকায় ও বেশি মূল্যে দ্রব্য বিক্রি করার অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় হয়।
অন্যদিকে মিরপুর-১১ নং বাজার, পল্লবীর মসলিন বাজার এবং মিরপুর -১ নং বাজারে দ্রব্য মূল্যের ন্যায্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোসলিনা পারভীন। এসময়ে নির্ধারিত মূল্যের থেকে অধিক মূল্যে চাল বিক্রি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ৪ জন চাল ব্যবসায়ী ও ১ জন পেয়াজ ব্যাবসায়ী সহ মোট ৫ জন কে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।পাশাপাশি ভবিষ্যতে এধরনের কাজ না করার জন্য মুচলেকা নেয়া হয়।
অন্যদিকে বাজারের  নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক- গ্লাভস ব্যবহার ও জনসমাগম এড়িয়ে চলতে জনসচেতনতা তৈরির জন্য কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও নাখালপাড়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিনিয়া জিন্নাত। এসময় কারওয়ান বাজারের চালের বাজার, পেয়াজ আদা রসুন ও মসলার বাজার, আলুর বাজার, ও কাচা বাজার এলাকায় পণ্য বেশি দামে বিক্রয় করার জন্য ও মূল্য তালিকা সঠিক দামে প্রদর্শন না করার জন্য ৯ জন চাল, পেয়াজ, মসলা ব্যবসায়ী কে বিভিন্ন পরিমাণে মোট ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বাজার কমিটির সভাপতি- সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে বাজারের সকলের মাস্ক, গ্লাভস পড়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন থাকার এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলা   নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয় ।
এছাড়াও তেজগাঁও নাখালপাড়া এলাকার সমিতির বাজারে দ্রব্যমূল্য বেশি রাখায়, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা ও ট্রেড লাইসেন্স না থাকার জন্য ৯ জন দোকান ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন পরিমাণে মোট ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বাজারের সকলের মাস্ক, গ্লাভস পড়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন থাকার এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। জনস্বার্থে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।