৩০শে মার্চ, ২০২০ ইং, সোমবার
৬ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানীর কার্যক্রম বন্ধ

প্রকাশিত: ৩:২৮ অপরাহ্ণ , মার্চ ২৫, ২০২০

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানীর কার্যক্রম বন্ধ

তেঁতুলিয়া প্রতিনিধিঃ অবশেষে করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাবের সংক্রমনের আশংকায় দেশেরদ অন্যতম চতুর্দেশীয় স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রমের বন্ধ ঘোষণা করেছে আমদানি-রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন। মঙ্গলবার থেকেই তারা বাংলাবান্ধা দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভূটানের সাথে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থলবন্দর দিয়ে সকল প্রকার আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর আগে ১৫ মার্চ থেকে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পাড়াপাড়ও বন্ধ করে দুই দেশ।

এ বিষয়ে বুধবার সকালে বন্দরটির আমদানি রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন এবং করোনা সংক্রমন ঠেকাতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমরা আমদানি রপ্তানি বন্ধ রেখেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে মরণঘাতি করোনা ভাইরাস বিস্তারে প্রতিবেশী দেশ ভারতের থাবার পর ১৫ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ করে দেয় সেদেশের সরকার। এতে করে নতুন করে কোন বাংলাদেশী যেমন যেতে পারছেন না ভারতে। তবে দু’দেশের ফেরতগামী নাগরিকরা এ বন্দর দিয়ে ফিরে যেতে নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তারা দেশে ফিরছেন। তবে চারদেশীয় ব্যবসা-বাণিজ্য হিসেবে আমদানি- রপ্তানী কার্যক্রম চালু রাখা হয়। এতে করে এসব আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পণ্যবাহী যানের চালক-হেল্পারদের মধ্যে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা করছিলেন বন্দরের ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় সচেতনমহল।

দেরিতে হলেও স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানীর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে এখানকার সর্বসাধারণ মানুষদের। তবে সীমান্তপথ দিয়ে চোরাকারবারীদের মাধ্যমে যাতে কেউ দেশের অভ্যন্তরে না আসতে পারে সেদিকে জোরদার টহলের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র অনুরোধ রয়েছে এখানকার সব এলাকাবাসীর।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।