৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং, শুক্রবার
৯ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভিয়েতনামের নারকেল আবাদ

প্রকাশিত: ৩:০৯ অপরাহ্ণ , মার্চ ২৬, ২০২০

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভিয়েতনামের নারকেল আবাদ

সিএনআই ডেস্কঃ  উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের ৭টি উপজেলায় ভিয়েতনামের নারকেল চাষের আবাদ কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। নতুন এ নারকেল জাতের ফলন ও আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কাছে কৃষকদের চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে।

পিরোজপুরের উত্তরের জনপদ নাজিরপুর উপজেলা। এ উপজেলায় বিভিন্ন রকমের ফসলসহ মাল্টা আবাদের জন্য উল্লেখযোগ্য ও পরিবেশগতভাবে সমৃদ্ধ। এখানকার মৃত্তিকা, পরিবেশ ও  আবহাওয়া হাজারো জাতের ফসল উৎপাদনের জন্য সহায়ক বিধায় ভিয়েতনামের নারকেল চারাও এখানে সমানভাবে কৃষকের কাছে সমাদৃত হয়ে উঠেছে।

অত্র উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে অন্তত ৪ হাজার ভিয়েতনাম বা খাটো জাতের নারকেল চারা কৃষকের কাছে বিতরণ করেছে। এগুলোর মধ্যে দুটি জাত রয়েছে- যেমন সিয়ামবুলু ও সিয়াস গ্রিন কোকোনাট। ভিয়েতনামের এই নারকেল চারার বিশেষত্ব হল- এগুলো সাধারণত দেড় থেকে দু’হাত লম্বা হয় এবং রোপণের তিন বছরের মাথায় অসংখ্য কুড়ির মাধ্যমে নারকেল আসে। এ নারকেলের পানি ডাব অবস্থায় অত্যন্ত সু-সাদু ও মিষ্টি।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এছাড়া নারকেল গাছটি বেশ ছোট থাকার সুবিধার্থে সহজেই নারকেল গাছের মাথায় সৃষ্টি ঝোপ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পোকা-মাকড় দমনে কৃষকদের বেশী বেগ পেতে হয়না। কিন্তু আমাদের দেশী নারকেল চারা অত্যন্ত লম্বা হওয়ায় এবং অন্যান্য অসুবিধা থাকায় এর কদর ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।

নাজিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার দিগবিজয় হাজরা বলেন, কৃষক ভাইয়েরা ভিয়েতনামের নারকেল চারা থেকে সহজেই বীজ তৈরি করতে পারবেন, ফলে তাদেরকে বাহির থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবেনা। এছাড়া সকল ঋতুতেই নারকেল প্রেমীদের কাছে নারকেল পছন্দনীয় একটি ফল বিধায় সারা বছরই এর চাহিদা রয়েছে।

সরকারের কাছে এ অঞ্চলের কৃষকদের দাবি- প্রতি বছর পিরোজপুর জেলার সর্বত্র ভিয়েতনামের এই খাটোজাতের নারকেল চারা নামমাত্র মূল্যে চাহিদা ভিত্তিক সরবরাহ করা হলে তারা পিরোজপুর থেকে নারকেল বিদেশে রপ্তানি করে আয়কৃত অর্থ দিয়ে স্বাবলম্বী  হতে পারবেন বলে মনে করছেন তারা।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।