বৃহস্পতিবার, ২৮শে মে, ২০২০ ইং

চট্টগ্রামে জনগণের সুবিধায় খোলা রাখা হবে দোকান-রেস্টুরেন্ট

প্রকাশিত: ১২:৩৪ অপরাহ্ণ , মার্চ ৩০, ২০২০

চট্টগ্রামে জনগণের সুবিধায় খোলা রাখা হবে দোকান-রেস্টুরেন্ট
মোহাম্মদ আলী রাশেদ, চট্টগ্রাম : জনগণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দোকান ও রেস্টুরেন্ট খোলা রাখা হবে। একইসঙ্গে দোকানে আড্ডা না দিয়ে খাবার কিনে দ্রুত বাসায় যাবার উদ্দেশ্যে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
রোববার ( ২৯ মার্চ) নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সস্থ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)  সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের ব্যবস্থাপনার বিষয়ে’ বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমন্বয় সভায় সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন  অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ)  আমেনা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ও ফোকাল পয়েন্টের সদস্য সচিব ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বীসহ  সরকারি -বেসরকারি  বিভিন্ন দফতরের  প্রতিনিধিরা।
সমন্বয় সভায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন সংবাদ এলে করণীয়, পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত হলে করণীয়, বাসা বিল্ডিং বা এলাকা লকডাউন প্রক্রিয়া, আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে করণীয়, সন্দেহভাজন মৃত্যুর ক্ষেত্রে করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সহ একটি এসওপি তৈরির প্রস্তাবনা করা হয়।সভায় করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ১০ টি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি। কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে সেই রোগীকে এ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়া।সিএমপির হটলাইনে (০১৪০০৪০০৪০০)ফোন করলে নগরে কর্মরত ডাক্তারদের যাতায়াতের সুবিধা প্রদান।  সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিতভাবে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানো। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার দাফন বা সৎকারের জন্য নগরীর একটি কবরস্থান বা সৎকারের স্থানকে নির্দিষ্ট করা ও এ সংক্রান্ত টিম গঠন করা।  আইসিইউ সুবিধা সম্বলিত একটি হাসপাতালকে ডেডিকেটেড করা। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও ওষুধের  মজুদ ও মূল্যবৃদ্ধি সংক্রান্তে নজরদারি বৃদ্ধি করা। সিভিল সার্জন কর্তৃক টেলিমেডিসিন সুবিধার জন্য দক্ষ ডাক্তারদের নিয়ে একটি টিম গঠন করা।আইসিইউ তে দায়িত্ব পালন করার জন্য ডাক্তার ও নার্সের সমন্বয়ে টিম গঠন এবং কর্মরত ডাক্তারদের থাকা-খাওয়ার ব্যাপারে আইসোলেটেড হোমের  সুব্যবস্থা করা। জনগণের সুবিধার জন্য দোকানে আড্ডা না দিয়ে খাবার কিনে বাসায় নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে খাবার দোকান ও রেস্টুরেন্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এছাড়া সভায় সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং, হোম কোয়ারেন্টিন, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন, লকডাউন সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন, আক্রান্ত ব্যক্তির ইভাকুয়েশন, করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক ডিসইনফেকশন কার্যক্রম, জরুরী সেবা-৯৯৯, ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।