মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২০ ইং

বাংলাদেশে করোনা যুদ্ধের শেষ কোথায় (২য় পর্ব)

প্রকাশিত: ৪:০৫ অপরাহ্ণ , মে ৭, ২০২০

বাংলাদেশে করোনা যুদ্ধের শেষ কোথায় (২য় পর্ব)

এম নাঈম হোসেন: বর্তমান সময়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে প্রশ্নটি সার্বক্ষণিক আমাদের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলোঃ “করোনা(কোভিড১৯) যুদ্ধের শেষ কবে এবং কবে আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসব?” এই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর এক মাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কারোরই জানা নেই। এই মুহূর্তে (৬ই মে ২০২০ সকাল) মানসিক ভাবে আমরা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সময় দিয়ে যাচ্ছি, কারণ গতকাল আমাদের দেশে একদিনে নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটি ছিল সবচেয়ে বেশী ৭৮৬ জন, তাঁর আগে সর্বমোট আক্রান্ত ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। ধারনা করা যাচ্ছে যে আমাদের দেশ ২য় পর্যায় – মহামারীর ঊর্ধ্বগতিতে আছে, তাই প্রতিদিনকার আক্রান্তের সংখ্যাটি বাড়ন্তের দিকে। ভীত হবেন না কারণ দুর্ভাবনা ও ভীতি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে দেয়। কারণে বা অকারনে অন্যকে দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকুন, এতে নিজের মানসিক শক্তির ক্ষয় হয়। সর্বদাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, এটাই এখন একমাত্র ঢাল।

এই বিবরণীতে ৬ই মে ২০২০ – সকাল পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডমিটারের (www.worldometers.info) তথ্য ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে একটি বিশ্লেষণধর্মী ধারনা দেয়ার চেষ্টা করা হবে, যা দেখে আমরা সাধারণ নাগরিকেরা কিছুটা হলেও অনুমান করতে পারব আমাদের দেশে প্রতিদিনকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটি কবে থেকে কমতে পারে। এই বিশ্লেষণমুখী ধারনাটি করতে সর্বপ্রথম একটি মহামারীর জীবনচক্রের সাথে পরিচিত হওয়া জরুরী। মহামারীর জীবনচক্রে ৫টি পর্যায় থাকেঃ

১ম পর্যায় – মহামারীর প্রাদুর্ভাব (প্রকাশ)
২য় পর্যায় – মহামারীর গতিবেগ বৃদ্ধি (ঊর্ধ্বগতি)
৩য় পর্যায় – মহামারীর সর্বোচ্চ চূড়া (আনতি বিন্দু)
৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্ব এবং
৫ম পর্যায় – মহামারীর সমাপ্তি।

এই বিবরণীতে শুধুই প্রতিদিনকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করা হবে, কারণ মহামারীর জীবনচক্রের পাঁচটি পর্যায় সহজ ভাবে বুঝতে গেলে এই সংখ্যাটি আমাদেরকে সাহায্য করবে। প্রথমেই বলে নেয়া দরকার, একটি নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডমিটারের তথ্য ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই বিবরণীটি একটি বিশ্লেষণধর্মী অনুমান মাত্র, দেশের চলমান বাস্তবতার পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রকল্পিত অনুমানগুলোর পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।

সমগ্র পৃথিবী করোনা যুদ্ধের কোন পর্যায়ে আছেঃ
পুরো পৃথিবীতে ওয়ার্ল্ডমিটারের তথ্য মতে করোনা মহামারীর শুরু ২২শে জানুয়ারী ২০২০, সেদিন নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটা ছিল ৫৮০ জন। এটাকে বলা যেতে পারে ১ম পর্যায় মহামারী প্রাদুর্ভাব (প্রকাশ)। এই সংখ্যাটি কোভিড১৯ গ্রাফ এর শুরু। এরপর সংখ্যাটি পৃথিবী জুড়ে বাড়তে শুরু করে, যেটি হচ্ছে মহামারীর ২য় পর্যায় – মহামারীর গতিবেগ বৃদ্ধি (ঊর্ধ্বগতি)। ২য় পর্যায় শুরুর ৩০ দিনের মাথায় (২২শে ফেব্রুয়ারি) সংখ্যাটি হয়ে যায় ৯৭৮ জন, আর ৬০ দিনের (২২শে মার্চ) মাথায় হয়ে যায় ২৯,৪৬৯ জন, ৯৩ দিনের (২৪শে এপ্রিল) মাথায় এই সংখ্যাটি দাঁড়ায় ১০৫,৮২৫ জন, সেদিন এটি ৩য় পর্যায়ে সর্বোচ্চ চূড়া (আনতি বিন্দু) স্পর্শকরে। এর পরদিন থেকেই সংখ্যাটি নামতে আরম্ভ করে এবং আজকে ১০৫তম দিনে (৬ই মে ২০২০ সকাল) পুরো পৃথিবীতে সংখ্যাটি আছে ৮১,২৪৭ জনে। তাঁর মানে পৃথিবী এখন করোনা মহামারীর চতুর্থ পর্যায়ে হ্রাস-পর্বে অবস্থান করছে এবং অন্যান্য সকল বিষয় এক থাকলে (Ceteris Paribus) এটি সামনেই কোন এক সময় সমাপ্তির দিকে যাবে।

কয়েকটি দেশের পরিসংখ্যান – প্রকাশ, চূড়ায় পৌঁছান এবং বর্তমান পর্যায়ঃ
ওয়ার্ল্ডমিটারের তথ্য মোতাবেক ৬ই মে ২০২০ – সকাল পর্যন্ত আমরা উদাহরণ-স্বরূপ কয়েকটি দেশের প্রতিদিনের নতুন আক্রান্তের সংখ্যাগুলো একটু পর্যালোচনা করে দেখি, তাঁরা কতদিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছেন এবং এই মুহূর্তে কোন পর্যায়ে আছেনঃ
দ্রুততম কয়েকটি দেশের উদাহরণ (১৭-৩৫তম দিনে চুড়ায়) –

দক্ষিন কোরিয়াঃ ১৭তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৮৫১ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (২৮ জন), আজকে ৮১তম দিনে (৩ জন), বর্তমানে ৫ম পর্যায় – মহামারীর সমাপ্তির পথে।

চায়নাঃ ২১তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১৪,১০৮ জন); ১ম দিন ২২শে জানুয়ারী (৫৭১ জন), আজকে ১০৫তম দিনে (১ জন) বর্তমানে ৫ম পর্যায় – মহামারীর সমাপ্তির পথে।

নিউজিল্যান্ডঃ ২৯তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১৪৬ জন); ১ম দিন ২৮ই ফেব্রুয়ারী (১ জন), আজকে ৬৮তম দিনে (০ জন) বর্তমানে ৫ম পর্যায় – মহামারীর সমাপ্তির পথে।

ইটালিঃ ৩৫তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৬,৫৫৭ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (৩ জন), আজকে ৮১তম দিনে (১০৭৫ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে আছে।

দেরিতে কয়েকটি দেশের উদাহরণ (৬৯-৭৯তম দিনে চুড়ায়) –
ইউএসএঃ ৬৯তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৩৮,৯৫৮ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (১৫ জন), আজকে ৮১তম দিনে (২৪,৭৯৮ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে আছে।

সুইডেনঃ ৬৯তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৮১২ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (১ জন), আজকে ৮১তম দিনে (৪৯৫ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে আছে।

রাশিয়াঃ ৭৮তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১০,৬৩৩ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (২জন), আজকে ৮১তম দিনে (১০,১০২ জন) বর্তমানে মহামারীর ঊর্ধ্বগতি অথবা হ্রাস-পর্বে আছে (পরবর্তী দিনগুলোতে বোঝা যাবে)।

ইন্ডিয়াঃ ৭৯তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৩৯৩২ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (৩ জন), আজকে ৮১তম দিনে (২৯৬৩ জন) বর্তমানে মহামারীর ঊর্ধ্বগতি অথবা হ্রাস-পর্বে আছে (পরবর্তী দিনগুলোতে বোঝা যাবে)।

ইউরোপের কয়েকটি দেশের উদাহরণ (৪০-৫৫তম দিনে চুড়ায়) –
স্পেনঃ ৪০তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৮২৭১ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (২ জন), আজকে ৮১তম দিনে (২,২৬০ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

জার্মানিঃ ৪১তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৬৯৩৩ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (১৬ জন), আজকে ৮১তম দিনে (৮৫৫ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

ফ্রান্সঃ ৪৮তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১৭,৩৫৫ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (১২ জন), আজকে ৮১তম দিনে (১০৮৯ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

ইউকেঃ ৫৫তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৮৬৮১ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (৯ জন), আজকে ৭২তম দিনে (৪,৪০৬ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

এশিয়ার কয়েকটি দেশের উদাহরণ (৫৬-৭১তম দিনে চুড়ায়) –
জাপানঃ ৫৬তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৭৪১ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (৫৩ জন), আজকে ৮১তম দিনে (১৭৫ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

পাকিস্তানঃ ৬৫তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১৬১৯ জন); ১ম দিন ২৬শে ফেব্রুয়ারী (২ জন), আজকে ৭০তম দিনে (১১০৮ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

সিঙ্গাপুরঃ ৬৫তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (১৪২৬ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (৭২ জন), আজকে ৮১তম দিনে (৬৩২ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

শ্রীলঙ্কাঃ ৭১তম দিনে সর্বোচ্চ চূড়ায় (৭১ জন); ১ম দিন ১৫ই ফেব্রুয়ারী (১ জন), আজকে ৮১তম দিনে (২০ জন) বর্তমানে ৪র্থ পর্যায় – মহামারীর হ্রাস-পর্বে অবস্থিত।

বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান – চূড়ায় পৌঁছান এবং হ্রাস-পর্বঃ
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটি, বাংলাদেশ কবে চূড়ায় পৌঁছোবে? আজকে ৬ই মে ২০২০ সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা যদি দেখি – সর্বমোট নমুনা পরীক্ষা ৯৩,৪০৩ জন, সর্বমোট আক্রান্ত ১০,৯২৯ জন (১১.৭%), সর্বমোট মৃত্যু ১৮৩ (১.৭%), সর্বমোট সুস্থ ১,৪০৩ জন (১২.৮%)। ওয়ার্ল্ডমিটারের তথ্য মতে বাংলাদেশের প্রথম শনাক্ত ৮ই মার্চ ২০২০ (৩ জন), ৩০ দিনের মাথায় (৮ই এপ্রিল) প্রতিদিনকার নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটি ছিল ৫৪ জন। আজকে ৫৯তম দিনে (৬ই মে ২০২০ সকাল) নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটি আছে ৭৮৬ জনে। কিন্তু এটাই কি আমাদের সর্বোচ্চ চূড়া নাকি আরও কিছুদিন লাগবে সেটি সময় বলতে পারবে।
যদি আমরা ইতোমধ্যে চূড়ায় পৌঁছে না থাকি এবং উপরের উদাহরণগুলোর মধ্যে এশিয়ার দেশগুলোর মতো আচরণ করি তাহলে ৩মে-১৮ মে ২০২০ (৫৬-৭১ দিন) এর দিকে কোন এক সময় চুড়ায় পৌঁছুতে পারি (প্রকল্পিত অনুমান)। যদি উদাহরনের সবচেয়ে দেরিতে পৌঁছনো দেশগুলোর মতো সময় নিয়ে ফেলি তবে আমরা চূড়ায় পৌঁছুতে পারি ১৬মে-২৬মে ২০২০ (৬৯-৭৯তম দিন) এর আশপাশের কোন সময় (প্রকল্পিত অনুমান)। যদি সমগ্র পৃথিবীর সমষ্টির মতো আচরণ করি তাহলে ৯ জুন ২০২০ (৯৩তম দিনে) এর আশপাশের কোন সময় (প্রকল্পিত অনুমান)। আর যদি নিজেরাই বিশ্ব-রেকর্ড করতে চাই তাহলে আরও দেরিতে।
আরেকটি ব্যাপার লক্ষণীয়, আজকের দিন পর্যন্ত আমাদের সর্বমোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা প্রায় ১ লাখের কাছাকাছি। প্রথম দিকে আমাদের দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ছিল আনুমানিক ৫০০ জনের মতো, বর্তমানে যেটি আনুমানিক ৬,০০০ জনের আশপাশে। সুতরাং প্রতিদিনকার আক্রান্তের সংখ্যাটিও নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধির কারনে বর্তমানে স্বাভাবিক ভাবেই একটু বাড়তি পর্যায়ে থাকবে, একারনেও সর্বোচ্চ চূড়ার সংখ্যাটি পেতে হয়তো একটু দেরি হয়ে থাকতে পারে।
লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, শৃঙ্খলা যত বেশী মেনে চলা হবে, ততোই দ্রুত সর্বোচ্চ চূড়া এবং হ্রাস-পর্বে চলে আসা সম্ভব। মেনে না চললে চুড়ায় পৌঁছনোর পরও হ্রাস-পর্বের গ্রাফের লেজটি আরও অনেক বেশী লম্বা হয়ে যেতে পারে। সুতরাং সকল নিয়ম কানুন মেনেই চলাচল করুন, একান্তই দরকার ছাড়া বাসায় থাকুন।

৫ম পর্যায়, করোনার সমাপ্তিঃ
ইতিহাস বলে যেকোনো মহামারী কয়েক ধাপেও হতে পারে। আজকের প্রবন্ধে শুধুই কোভিড১৯ এর ১ম ধাপে আমাদের অবস্থান নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। ২য় বা ৩য় ধাপের সম্মুখিন হতে না চাইলে, ১ম ধাপের সমাপ্তির পরও বেশ কিছুদিন সুশৃঙ্খলিত স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়ম কানুন মেনে চলা জরুরী। একমাত্র প্রতিষেধক টীকার আবিষ্কারই পারে একটি মহামারীর সম্পূর্ণ সমাপ্তি টানতে।

নিজেকে এবং পরিবারকে সুস্থ ও সুরক্ষিত রাখার জন্য যা করনীয় সব কিছু নিজ নিজ জায়গা থেকে নিজেই করুন। অকারনে আতঙ্কিত হবেন না, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, সরকারের নির্দেশ মেনে চলুন, নিজেকে, পরিবারকে ও সমাজকে সুরক্ষিত রাখুন। আজ হোক কাল হোক ইনশাআল্লাহ্‌ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।
যদি প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে ৩য় পর্বে আমি আরেকটি বিবরণী তুলে ধরার চেষ্টা করবো – “বাংলাদেশের করোনা যুদ্ধ বনাম জীবিকা যুদ্ধ”।


প্রবন্ধ: করোনাভাইরাস ও বাংলাদেশ (২য় পর্ব)
লেখক: এম নাঈম হোসেন
সভাপতি, নাগরিক ঢাকা।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।