বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং

চুয়াডাঙ্গায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান এর কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ , মে ১৯, ২০২০

চুয়াডাঙ্গায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান এর কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার চিৎলায় কাঁচা রাস্তা মেরামত ও রাস্তার দুই পাশের জঙ্গল পরিস্কার করার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের নামের তালিকায় ভুয়া নাম দেখিয়ে টাকা আত্মসাত করলেন স্থানীয়
জনপ্রতিনিধিরা। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রনালয়ের অধিনে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির ১ম পর্যায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে চিৎলা ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানের রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট জঙ্গল পরিস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের তালিকায় ভুয়া নাম দেখিয়ে চিৎলা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ইনতাদুল, স্থানীয় মেম্বার আব্দুর রশিদ মেম, সমশের আলী মন্ডল, লিয়াকত আলী, সংকক্ষিত মহিলা মেম্বার রুশিয়া খাতুন ও ফাতেমা খাতুন হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন বলে এলাকার লোকজন ও শ্রমিকদের অভিযোগ। এ নিয়ে এলাকায় সমালচনার ঝড় বইছে। যেকোন সময় বড় ধরনের অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় দিন গুনছে এলাকাবাসী।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার চিৎলা ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানে মাটি দিয়ে রাস্তা ভরাট ও জঙ্গল পরিস্কার করার কাজ সদ্য শেষ হয়েছে। আর এ কাজের দ্বায়িত্বে ছিলেন চিৎলা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ইনতাদুল, স্থানীয় মেম্বার আব্দুর রশিদ মেম, সমশের আলী মন্ডল, লিয়াকত আলী, সংকক্ষিত মহিলা মেম্বার রুশিয়া খাতুন ও ফাতেমা খাতুন। ওই কাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন ২শ’ টাকার হাজিরায় ৩১ জন করে শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর নিয়ম থাকলেও অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিরা ২০ থেকে ২১ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করান। বাকিগুলো ভুয়া নাম দেখিয়ে পূর্নাঙ্গ নামের তালিকা করে সিডিউল জমা দেয়া হয়। বাকি টাকা অভিযুক্ত মেম্বার ও চেয়ারম্যানের যোগসাজসে আত্মসাত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে শ্রমিকরা টাকা উত্তোলন করতে যায় গোকুলখালি সোনালী ব্যাংকে। এ সময় তারা একত্রিত জমায়েত হয়ে এ অভিযোগ করেন।

তারা বলেন, তালিকায় ৩১ জনের নাম থাকলেও আমরা ২০ থেকে ২১ জনের কাজ আমরা পরিশ্রম করে শেষ করলাম অথচ তালিকায় যাদের নাম আছে তারা কোনদিন কাজে না এসেই তাদের টাকা তুলে নেয়া হলো। তাহলে ওই টাকা কারা নিলো। চিৎলার আলিয়া খাতুন নামের এক নারী শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন, আমি ৪০ দিন ধরে কাজ করলাম অথচ তালিকায় আমার নাম নেই। টাকা চাইতে গেলে মেম্বাররা আমাকে ফিরিয়ে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মেম্বার আব্দুর রশিদ মেম দুর্নিতির কথা শিকার না করলেও নামের তালিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তালিকায় যাদের নাম আছে তারা প্রত্যেকে কাজ করেছেন। হয়তো কয়েকজনের একটু সমস্যা থাকতে পারে। লিয়াকত আলী মেম্বার বলেন, আমি কোন দুর্নিতী করিনি। আমি স্বচ্ছতার সাথে কাজ করেছি।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।