শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং

আম্ফানের গ্রাসে পশ্চিমবঙ্গে ঝড়ো হাওয়া-ভারি বর্ষণের তাণ্ডব

প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ , মে ২০, ২০২০

আম্ফানের গ্রাসে পশ্চিমবঙ্গে ঝড়ো হাওয়া-ভারি বর্ষণের তাণ্ডব

সিএনআই ডেস্কঃ বাতাসের শক্তি নিয়ে প্রবল বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দাপটে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া ও ভারি বর্ষণ হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে বইতে শুরু করেছে ঝড়ো হাওয়া।

বুধবার (২০ মে) সকালেই পুরোদমে আছড়ে পড়তে প্রস্তুত রয়েছে এ শতকের প্রথম ‘সুপার সাইক্লোন’ আম্ফান। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় তিন লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মারাত্মক শক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব উপকূলের দিকে ক্রমেই এগিয়ে আসছে।

ভারতের আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম এই সময় জানায়, সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে ঝোড়ো বাতাস বইতে শুরু করেছে। বেলা বাড়লেই শুরু হবে তাণ্ডব। ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হানতে পারে বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ।

পশ্চিমবঙ্গের ওপর আছড়ে পড়ার সময় আম্ফানের গতিবেগ সাধারণত থাকবে ঘণ্টায় ১৬৫ থেকে ১৭৫ কিলোমিটার, যা সর্বাধিক ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় তিন থেকে চার মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। ভারতের মৌসুম ভবনের ডিজি মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেছেন, আম্ফানের চেয়ে ফনির বীভৎসতা অনেক বেশি ছিল। তবে আম্ফানের প্রভাব বুলবুল বা আইলার চেয়ে মারাত্মক হবে।

এ দিকে, উড়িষ্যায় উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সেখানে প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাস বইছে এবং ভারি বর্ষণ হচ্ছে। ঝড়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, স্থাপনা ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

দেশটির জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল থেকেই উড়িষ্যার পারাদ্বীপে সর্বোচ্চ ১০৬ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাচ্ছে। চান্দবালিতে ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়। বেলাশোরে ৫৭ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে গেছে। আর ভুবনেশ্বরে ৫৬ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে গেছে। সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টিপাতও হচ্ছে। বিকালের দিকে এই ঝড় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।