বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং

ঢাকায় হোপ’স ডোর বাংলাদেশের খাদ্যদ্রব্য ও ঈদ উপহার বিতরণ

প্রকাশিত: ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ , মে ২২, ২০২০

ঢাকায় হোপ’স ডোর বাংলাদেশের খাদ্যদ্রব্য ও ঈদ উপহার বিতরণ

সিএনআই ডেস্ক : করোনা ভাইরাস ভয় নয়, সচেতন হোন। এই প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীর একটি আবাসিক বাড়িতে খাদ্যদ্রব্য, ঈদ উপহার বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে হোপ’স ডোর বাংলাদেশ।
এ সময় অসহায় ও নিম্নমধ্যবিত্ত প্রায় ২শ’ পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ, খাবার ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
হোপ’স ডোর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শামিমুন নাহার লিপি ঈদ উপহার সামগ্রীসহ খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীসহ পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামিমুন নাহার লিপি বলেন, ১৯৯৫ ইং সাল থেকে বাংলাদেশের মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থেকেছে হোপ’স ডোর বাংলাদেশ।

সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে যখন মানুষ দিশেহারা, ঠিক তখনই ছুটে এসেছি মানুষের সেবায়। বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর অনুদান ছাড়াও নিজে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করে আসছি এ যাবৎকাল পর্যন্ত। আমি একজন মানবাধিকার কর্মী এবং আমেরিকান সিটিজেন হিসেবে দেশের প্রতি মাতৃত্বের টানে বাংলাদেশে ছুটে আসি বারংবার। হোপ’স ডোর বাংলাদেশে এনজিওর মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়াই।
এই করোনাকালীন সময়ে প্রায় ২ হাজার মানুষকে খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছি গরিব-দুঃখি মানুষকে। আজ আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ২শ’ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ, খাদ্যসামগ্রী ও ঈদ উপহার হিসেবে শাড়ি, লুঙ্গি বিতরণ করছি। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় দেশের নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষকে এতটুকু আনন্দ দিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমি অসুস্থতায় ভুগছি। শারীরিক ও মানষিক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের গরিব ও অসহায় মানুষকে স্বাধীনভাবে সেবা দিতে চাই। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও স্বাধীনভাবে কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছি। কিছু কুচক্রী মহল আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার কর্মকান্ডে বাধা সৃষ্টি করে আসছে। আমাকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য নানা ভাবে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। আমি তাদের প্রতি ধিক্কার ও নিন্দা জানাই।

হোপ’স ডোর বাংলাদেশের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সেলিনা রহমান বলেন, শামিমুন নাহার লিপি বাংলাদেশের জন্য একজন দানবীরই নন, তিনি বাংলাদেশের অলঙ্কার। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পাশে তাকে সব সময়ই পেয়েছি। আমরা চাই, তিনি মানবতার সোপান হয়ে আমদের পাশে থাকবেন এবং মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন। তাহলে সাধারণ জনগোষ্ঠীকে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে পারবো বলে আশাবাদী।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যেখানে সারাবিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের পক্ষে একা লড়াই করা সম্ভব নয়। শামিমুন নাহার লিপির মতো বিত্তবান মানুষ গরিব ও অসহায়দের পাশে থাকলে হয়তো কাউকে না খেয়ে মারা যেতে হবে না। আমরা আশা করবো, প্রবাসীসহ দেশের বিত্তবানরা খেটে খাওয়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবেন।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।