শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২০ ইং

ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের ‘ধর্ষণ’ করতেন মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল!

প্রকাশিত: ৪:২৮ অপরাহ্ণ , জুলাই ১৩, ২০২০

ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের ‘ধর্ষণ’ করতেন মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল!
ফেনী প্রতিনিধি:  ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের এক মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এলাকার মানুষ। এর আগেও ওই হুজুর ঝাড়ফুঁকের নামে একাধিক নারীর সঙ্গে এমন আচরণ করলেও লোকলজ্জার ভয়ে তারা ছিলেন নীরব। তবে এবারের ঘটনা প্রকাশ পেলে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কঠোর শাস্তির দাবি তাদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই মাদ্রাসার দোতালার একটি কক্ষ ব্যবহার করে ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউসুফ সিদ্দিকী দীর্ঘদিন ধরে তাবিজ-কবজ আর ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের তার লালসার শিকার বানিয়ে আসছেন। গত ৪ জুলাই এক নারী ইউসুফ সিদ্দিকীর কাছে তাবিজের জন্য গেলে কৌশলে তার শ্বশুর-শাশুড়িকে আরেক কক্ষে পাঠিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। সেখান থেকে বের হয়ে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বজনদের জানালে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান তারা।
বিষয়টি জানাজানির পর এ হুজুরের কাছে গিয়ে বিভিন্ন সময়  যে সব নারী এমন আচরণের শিকার হয়ে লোক লজ্জায় বলেননি তারা এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী।
অবস্থা বেগতিক দেখে দোষ স্বীকার এবং ক্ষমা চেয়ে এ হুজুর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়।
কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নেবে না বলে জানান দাগনভূঞা ইছাহাকীয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল আমিন।
এলাকাবাসী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ১৯৩৬ সালে গড়া এ ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে ।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আসলাম সিকদার জানান অভিযুক্ত নারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন এবং আসামিকে সোমবার কোর্টে প্রেরণ করা হয়।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।