১৭, সেপ্টেম্বর, ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৭ মুহররম ১৪৪১

চাকুরির প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

প্রকাশিত: ৮:১৬ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

চাকুরির প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

গাজীপুরে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। তার নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩০)। সে নেত্রকোনার কমলাকান্দা উপজেলার শিবপুর এলাকার মোঃ মানিক মিয়ার ছেলে এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী পারিজাত এলাকায় বাসা ভাড়া থাকতেন। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জিএমপি’র কোনাবাড়ি থানার ওসি মো. এমদাদ হোসেন মামলার বরাত দিয়ে জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী এলাকায় বড় বোনের ভাড়া বাসায় থেকে চাকরি খুঁজছিলেন ভিকটিম কিশোরী (১৫)। ছোট বোনের চাকুরির ব্যবস্থা করে দিতে একই বাড়ির পাশের বাসার ভাড়াটিয়া মো. জাকারিয়াকে অনুরোধ করেন। পরে জাকারিয়া তার পরিচিত মো. জাহাঙ্গীর আলমকে দিয়ে ওই কিশোরীকে (ভিকটিম) একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দেন।

মঙ্গলবার সকালে জাকারিয়া স্থানীয় পারিজাত এলাকায় জাহাঙ্গীরের ভাড়া বাসার সামনে ভিকটিমকে নিয়ে যান। পরে ভিকটিমকে সেখানে রেখে চলে যায় জাকারিয়া। এ সময় জাহাঙ্গীর তথ্য জানার কথা বলে ভিকটিমকে তার ঘরের ভেতর নিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে কৌশলে দরজা আটকে দিয়ে। পরে ঘরের টেলিভিশনের সাউন্ড বাড়িয়ে দিয়ে জোরপূর্বক কিশোরীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানাতে নিষেধ করে হুমকি দিয়ে জাহাঙ্গীর ভিক্টিমকে ঘরে রেখে বাইরে যায়। এসময় ভিকটিম পালিয়ে বাসায় ফিরে তার বড় বোনকে ঘটনা জানায়। বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে এলাকাবাসী জাহাঙ্গীরকে আটক করে রাতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে ভিকটিমের বড় বোন বাদী হয়ে কোনাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত জাহাঙ্গীরকে বুধবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।