১৭, অক্টোবর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ সফর ১৪৪১

 জুয়ার ফাঁকে ফাঁকে চলে মদ পান

প্রকাশিত: ৯:৫৫ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

 জুয়ার ফাঁকে ফাঁকে চলে মদ পান

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় ইয়ংমেন্স ক্লাবের নিষিদ্ধ জুয়ার কেসিনোতে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব।

এসময় ওই ক্যাসিনোর ভেতর থেকে ১৪২ জন নারী-পুরুষকে আটক করা হয়। ক্যাসিনোতে জুয়ার ফাঁকে ফাঁকে চলে মদ পান চলছিল বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার বিকেলে ওই ক্যাসিনোতে অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

অভিযানের আগ থেকেই ক্লাবটি ঘিরে রাখেন র‌্যাবের সদস্যরা।

তারা দুপুর থেকে সেখানে কাউকে ঢুকতে এবং বের হতে দেয়নি।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, অভিযানের সময় ভেতরে থাকা এবং ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা অবস্থায় ১৪২ জনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, এই ক্লাবে গত আট মাস ধরে অবৈধ আসর বসছিল। এ সময় আমরা দেখি- ক্লাবের নিচতলায় যন্ত্রের মাধ্যমে জুয়া খেলা (ক্যাসিনো) চলছে। এছাড়া জুয়া খেলার ফাঁকে ফাঁকে মদ পান হচ্ছে।

তিনি জানান, যারা এই ক্লাবে এসেছেন তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আটক ব্যক্তিদের মদ পানের লাইসেন্স নেই। এমনকি ইয়াং মেন্স ক্লাবেরও মদ বিক্রির লাইসেন্স নেই।

এসময় জুয়া খেলার ২৪ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়।

ওই ক্যাসিনোতে অভিযানের পরই অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্রসহ আটক করেছে র‍্যাব। বুধবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তাকে তার গুলশানের বাসা থেকে আটক করা হয়।

এসময় খালেদ মাহমুদের কাছ থেকে লাইসেন্সবিহীন একটা পিস্তল জব্দ করা হয়। ওয়াল শোকেজ থেকে দু’টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

সেখান থেকে ২০০টি করে মোট ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়। এছাড়া লোহার লকার থেকে ১০০০, ৫০০ ও ৫০ টাকার বেশ কয়েকটি বান্ডেল উদ্ধার করা হয়।

সেগুলো গোনার পর টাকার অংক দাঁড়ায় ১০ লাখ ৩৪ হাজার।

এছাড়া ডলারেরও বান্ডেল পাওয়া যায়। টাকায় তা ৫/৬ লাখ টাকা হবে বলে র‌্যাব জানায়।

খালেদ মাহমুদের বাসা থেকে ত্রুটিযুক্ত দুটি অস্ত্রও (শটগান ও পিস্তল) জব্দ করা হয়।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।