১৭, অক্টোবর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ সফর ১৪৪১

আত্মহত্যা : কারণ ও প্রতিকার (২য় পর্ব)

প্রকাশিত: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ , সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

আত্মহত্যা : কারণ ও প্রতিকার (২য় পর্ব)

আত্মহত্যা প্রবণতার লক্ষণ
আমরা আগেও বলেছি যে, আত্মহত্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো মানসিক বিকৃতি। একজন মানুষ চরমভাবে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় না থাকলে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তবে আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তিকে কিছু লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যায়। কোনো ব্যক্তির মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতা পাওয়া গেলে আমাদের উচিত তাকে সময় দেয়া। তার সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করা। আসুন কিছু লক্ষণ জেনে নিই—

•    ‘আর পারছি না’, ‘সব কিছু অর্থহীন’ বা ‘সব শেষ করে দেব ভাবছি’ সময়ে অসময়ে এসব মন্তব্য করা।
•    নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া বা বিষণ্ণবোধ করা।
•    বেপরোয়াভাব।
•    সবকিছু গুছিয়ে নেওয়া, মূল্যবান জিনিসপত্র বিলিয়ে দেওয়া।
•    আচরণ, ভাবভঙ্গি ও চেহারায় আমূল পরিবর্তন।
•    ড্রাগ ও অ্যালকোহল আসক্তি।
•    বিপুল ক্ষতি বা জীবনে বিশালাকার পরিবর্তন।
•    পরিবারে আত্মহত্যা বা হিংস্রতার ইতিহাস।
•    যৌন বা শারীরিক নির্যাতন।
•    মানসিক নিপীড়নের শিকার হওয়া।
•    ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের মৃত্যু।
•    বিবাহ বিচ্ছেদ বা পৃথক হওয়া, সম্পর্কের ইতি।
•    পড়াশোনায় ব্যর্থতা, পরীক্ষার ফলাফল অসন্তোষজনক।
•    চাকরি হারানো, কর্মক্ষেত্রে সমস্যা।
•    অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আইনী প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে যাওয়া।
•    অতীতের ভয়ঙ্করতম কোনো স্মৃতি।
•    একাকিত্ব, পরিবার ও বন্ধুদের সাহায্যের অভাব।
•    প্রত্যাখ্যাত হওয়া, বিচ্ছিন্নতা বোধ করা।
•    গভীর অপরাধবোধ।

তবে এগুলোর উপস্থিতি মানেই আত্মহত্যা নয়। এগুলো লক্ষণমাত্র। বি-ফ্রেন্ডার্স ওয়ার্ল্ডওয়াইডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এধরনের ব্যক্তিরাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে আত্মহত্যা করে থাকে। সাধারণভাবে একজন মানুষের মধ্যে যত বেশি লক্ষণ দেখা যায় আত্মহননের তত বেশি আশঙ্কা থাকে।

চলবে ইনশাআল্লাহ।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।