২০, অক্টোবর, ২০১৯, রোববার | | ২০ সফর ১৪৪১

৪ দিনের রিমান্ড শেষে ফের কারাগারে সেলিম!

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ৮, ২০১৯

৪ দিনের রিমান্ড শেষে ফের কারাগারে সেলিম!

সিএনআই ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার গুলশান থানায় মাদক আইনে করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

চারদিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে তোলা হয় তাকে। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে সেলিম প্রধানের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সেলিম প্রধান ছাড়া অন্য দুই আসামিকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন আক্তারুজ্জামান ও রোকন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম মাদক আইনে করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানকে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডলের আদালতে তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন গুলশান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আমিনুল ইসলাম।

অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানার মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনের মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিন (বুধবার) গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে র‌্যাব। এর আগে মঙ্গলবার অফিসে দুটি হরিণের চামড়া রাখায় সেলিম প্রধানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাব জানায়, হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় সেলিম প্রধানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সেলিম ও তার দুই কর্মীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ নম্বর ফ্লাইটটি ছাড়ার আগ মুহূর্তে সেলিম প্রধানকে আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশে অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা বলে জানায় র‌্যাব।

এরপর সেলিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশান-২ এর ১১/এ রোডে সেলিম প্রধানের অফিসে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। রাতভর অভিযানের পর দুপুরে বনানীর আরেকটি অফিসে অভিযান চালানো হয়।

দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৪৮টি বিদেশি মদের বোতল, ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ নগদ টাকা, ২৩টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা (যার মূল্য ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা), ১২টি পাসপোর্ট, ১২টি ব্যাংকের ৩২টি চেকবই, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ এবং দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করে র‌্যাব।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।