১৯, অক্টোবর, ২০১৯, শনিবার | | ১৯ সফর ১৪৪১

মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপি অফিসে হামলা

প্রকাশিত: ৩:১৪ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ৯, ২০১৯

মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, বিএনপি অফিসে হামলা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের জের ধরে কোটাচাঁদপুর পৌর বিএনপি অফিস ভাংচুর করা হয়েছে। কোটচাঁদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সালাহ উদ্দীন বুলবুল সিডলকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওই ককটেল বিস্ফোরণে যুবলীগ কর্মী মামুন ও আরিফ নামে দুই জন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। গোটা কোটচাঁদপুর শহর থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে কোটাচাঁদপুর বাজারে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা অফিসে কে বা কারা ককটেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় সে সময় অফিসে থাকা যুবলীগ কর্মী মামুন ও আরিফ আহত হয়।

আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা এ ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করে বিএনপির অফিস ভাংচুর ও কর্মীদের মারধর করে। ভাংচুর করে সাবেক পৌর মেয়র সিডলের মোটরসাইকেল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দীন বুলবুল সিডলকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে থানায় নিয়ে যায়।

এই ঘটনাটি এমন এক সময় ঘটলো যখন কোটচাঁদপুরে আগামী ১৪ অক্টোবর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন। এ ব্যাপারে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম জানান, রাতে কে বা কারা মুক্তিযোদ্ধা অফিসে ককটেল মারে। এ ঘটনায় দুজন আহত হন।

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি গনসংযোগে বাইরে ছিলাম। শহরে এসে খবরটি শুনেছি। তিনি বলেন তুচ্ছ ঘটনায় যদি মামলা মোকদ্দমা দিয়ে বিএনপি কর্মীদের নির্বাচনী মাঠ ছাড়া করা হয়, তবে আমি এই নির্বাচন বয়কট করবো।

তিনি অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর জয় নিশ্চিত জেনেই প্রতিপক্ষরা শান্ত শহরকে তুচ্ছ ঘটনায় অশান্ত করার চেষ্টা করছে। এটা একটা সাজানো নাটক বলেও তিনি দাবি করেন।

উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী শরিফুন্নেছা মিকি বলেন, আমি বাইরে থেকে ফিরে এ ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে আসি। তিনি এ ঘটনার জন্য তার প্রতিপক্ষ বিএনপি প্রার্থীর লোকজনকে দায়ী করেন। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় আহত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মামুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন, রাতে কে বা কারা কোটচাঁদপুর মুক্তিযোদ্ধা অফিসে ককটেল মারে। এতে একজন আহত হন। এ সময় পাশেই ছিল বিএনপির অফিস।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।