২০, নভেম্বর, ২০১৯, বুধবার | | ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

দিনাজপুরে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে গোলাপী শোভা যাত্রা

প্রকাশিত: ৪:২২ অপরাহ্ণ , অক্টোবর ১২, ২০১৯

দিনাজপুরে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে গোলাপী শোভা যাত্রা

দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরে বিশ্ব ব্যাপী স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে “শ্রেষ্ঠ খাবার মায়ের দুধই সব শিশুকে তাই খাওয়াই, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাই” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হাসপাতাল ও দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজ-এর উদ্যোগে গোলাপী শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করেছে । আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে র‌্যালী শেষে দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজের সেমিনার হল রুমে “স্তন ক্যান্সার এক নীরব ঘাতক, সঠিক সময়ে সনাক্ত হলে যার প্রতিকার সম্ভব” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

 

র‌্যালী শেষে সেমিনারে প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব ঢাকা গোল্ডেন সিটির প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগ জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। র‌্যালী ও সেমিনারে দিনাজপুরে খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একেএম আজাদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব ঢাকা গোল্ডেন সিটির সাবেক প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আফতাবুজ্জামান, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা কসমো পলিটন এর সেক্রেটারী ইকবাল মাহামুদ, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা রোজভ্যালী’র প্রেসিডেন্ট ডাঃ ফায়েজা ইলা কামাল, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোসারেদ জাহান সৌরভ, হীল এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জেবুন্নেসা, দিনাজপুর খুরশীদ জাহান হক ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হাসপাতালের কোষাধ্যক্ষ খালেকুজ্জামান নান্নু, নির্বাহী সদস্য আবু তাহের আবু, মিসেস নাজমা মশির, আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক, দিনাজপুর কেয়ার নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. জেরিনা খাতুন, প্রধান সহকারী মোঃ শাহজাহান আলীসহ ঢাকা থেকে আগত বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের ১৬ জনের একটি দল। এ সকল পরিচালনা করেন জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান পিন্টু।

 

উল্লেখ্য যে, স্তন ক্যান্সার বলতে শরীরের অন্যান্য স্থানের মত স্তনের অস্বাভাবিক কোষ বাড়ার কারণে বা কোন চাকা বা পিন্ডের সৃষ্টি হলে তাকে টিউমার বলে। শরীরের বিনা প্রয়োজনে অনিয়ন্ত্রিত কোন কোষ বিভাজন থেকে এর সৃষ্টি। প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্তনের টিউমার ২ ধরনের। এক  বিনাইন টিউমার, এটা অক্ষতিকারক, উৎপত্তিস্থলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, দুরে বা কাছের অন্য কোন অঙ্গ, প্রতঙ্গকে আক্রান্ত করে না। দুই  ম্যালিগন্যান্ট টিউমার আগ্রাসী, ক্ষতিকর। উৎপত্তিস্থলের সীমানা ছড়িয়ে আশপাশের অঙ্গ প্রতঙ্গ কিংবা গ্রন্থি আক্রান্ত করে, এমনকি রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে দূরের কোন অঙ্গও আঘাত হানতে পারে। স্তনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমারকেই ক্যান্সার বলা হয়। স্তন ক্যান্সারের লক্ষন বলতে বোঝা যায়- স্তনে চাকা বা পিন্ড, নিপল বা বোঁটা, ভেতরে ঢুকে যাওয়া, অসমান বা বাঁকা হয়ে যাওয়া, নিপল দিয়ে অস্বাভাবিক রস বা রক্ত ক্ষরণ হওয়া, চামড়ার রং বা চেহারার পরিবর্তন এবং বকলতাং পিন্ড বা চাকার লক্ষন দেখা যায়।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।