১৫, নভেম্বর, ২০১৯, শুক্রবার | | ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

‘ভালোবেসে চুমু খেয়েছি, তাতে কার বাপের কী’

প্রকাশিত: ২:০৫ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ৫, ২০১৯

‘ভালোবেসে চুমু খেয়েছি, তাতে কার বাপের কী’

বিনোদন ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি। যা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এঘটনায় অনেকে সমালোচনা করছেন, অনেকে আবার মিথিলা-ফাহমিকে নিয়ে ট্রল করছেন। তবে শোবিজ অঙ্গনের অনেক নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী বিষয়টিকে অন্যায় বলছেন। কারণ কারো ব্যক্তিগত ছবি এভাবে ছড়ানো অপরাধ। এ বিষয়টিকে ভালোভাবে গ্রহণ করেননি ‘মিস আয়ারল্যান্ড’ মাকসুদা আক্তার প্রিয়তিও।

এ অভিনেত্রী তার ফেসবুকে লিখেছেন, ভালোবেসে প্রেমিককে চুমু খেয়েছি, প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে প্রাণ জুড়িয়েছি, তাতে কার বাপের কী, মায়ের কী বা চৌদ্দগুষ্টির কী? কেউ পাবলিক ফিগার বা জনপ্রিয় হলে তার ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো বা ভালোবাসার অধিকার কি উধাও হয়ে যেতে হবে? উনাকে আপনাদের কাস্টোমাইজড অনুযায়ী ফাঙ্কসোনাল অমানব/রোবট হয়ে যেতে হবে? যেন আপনারা সবাই ধোয়া তুলশী পাতা! আদরে, ভালোবাসায় আবিষ্ট থাকতে সবাই চায়, সবাই ভালোবাসে। বোঝা গেল? বুঝলে বুঝ পাতা, আর না বুঝলে…।

মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাও। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে প্রভা লিখেছেন, ‘কারো ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি শেয়ার বা পোস্ট করা, এথিকালি কোন রাইট আপনি রাখেন না; বিকৃত মানসিকতার আমূল পরিবর্তন হোক….’।

এর আগে সোমবার একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে মিথিলা-ফাহমির ছবিগুলো ছাড়া হয়। এরপর সেখান থেকে ছবিগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে ‘ইফতেখার আহমেদ ফাহমি’ নামে একটি ফেসবুক পেজ থেকে স্ট্যাটাসে জানানো হয়, ‘হ্যা মিথিলা আর আমার পরকিয়া হয়েছে। একবার নয় অনেকবার। আর এটা নিয়ে মজা করার কিছুই নেই। আমরা দুজন জাস্টফ্রেন্ড।’

যদিও এটাই ফাহমির নিজস্ব ফেসবুক পেইজ কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মিথিলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘অস্বাভাবিক কোনো ছবি না এটা’। এই কথা বলেই ফোনটি কেটে দেন তিনি।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।