১৫, নভেম্বর, ২০১৯, শুক্রবার | | ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই ভারত গিয়েছিলেন পাপন!

প্রকাশিত: ৭:৫৫ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ৬, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই ভারত গিয়েছিলেন পাপন!

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ভক্তদের কাছে এখনও ভিলেন পাপন। বোর্ড ব্যবস্থাপনায় তার বড় ধরনের ব্যর্থতার অভিযোগ না উঠলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা খুনসুটি এখনো চলছে। এর মধ্যে গত শুক্রবার রাতে হঠাৎ গুজব ছড়িলো পড়ে, বিসিবি প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন নাজমুল হাসান পাপন।

পরে অবশ্য সেটা নিছকই গুজব বলেই প্রমাণ হয়। পরদিন শনিবার দুপুরেই তিনি দিল্লি উড়ে যান বাংলাদেশ আর ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখতে। তিনি এমনিতেই বাংলাদেশের প্রায় সব সিরিজ মাঠে বসে দেখার চেষ্টা করেন। দেশের বাইরে এমন সিরিজ খুব কমই আছে, যেটা পুরো না হলেও আংশিক দেখেননি বিসিবি প্রধান।

এবারের দিল্লি যাওয়া এবং ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দেখাকেও সবাই ওই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ধরে নিয়েছিলেন। তিনি আগেও গেছেন এবারো যাচ্ছেন- এমন চিন্তাই করা হয়েছে।

কিন্তু আজ বিকেলে বিসিবি সভাপতি জানান ভিন্ন তথ্য। আসলে তিনি নিজের ইচ্ছায় নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই ভারত গিয়েছিলেন। দিল্লিতে প্রথম যে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে, সেটা তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনেই দেখে এসেছেন।

বুধবার বিকেলে বিসিবির দোতলার লবিতে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে অনেক কথার ভিড়ে এ তথ্য জানিয়ে পাপন বলেন, আসলে প্রধানমন্ত্রীই আমাকে যেতে বলেছিলেন। তিনি চেয়েছেন ক্রিকেটারদের পাশে আমি থাকি।

পাপনের কথায় পরিষ্কার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই তাকে পরামর্শ দিয়েছেন ক্রিকেটারদের উৎসাহ জোগাতে, অনুপ্রাণিত করতে এবং সাথে থাকতে। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে শর্ত দিয়ে গিয়েছিলন, তিনি যেন বাংলাদেশের ম্যাচ পুরোটা দেখেন এবং ছেলেদের জন্য দোয়া করেন।

বিসিবি সভাপতি আরও জানান, খেলার দিনও প্রায় অর্ধেক বেলা তিনি টিম হোটেলে ক্রিকেটারদের সাথে কাটিয়েছেন। তাদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা ছিল তার।

পাপন ক্রিকেটারদের দৃঢ় প্রত্যয় আর নিজেদের মেলে ধরার প্রাণপণ চেষ্টার অকুণ্ঠ প্রশংসা করে বলেন, ‘সাকিব ও তামিম ছাড়া খেলতে নেমেও ছেলেরা দারুণ আন্তরিক ছিল।’ তাদের অ্যাপ্রোচের প্রশংসা করে তিনি জানান, তারা আরও ভালো খেলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছে। তার ভাষায়, ‘ছেলেদের ডেডিকেশন ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা দরদ দিয়ে খেলেছে।’

তরুণদের প্রশংসা করতে ভুল করেননি বিসিবি সভাপতি। আফিফ হোসেন ধ্রুব’র নাম ধরে বলেন, ‘আফিফসহ অন্য নবীন ক্রিকেটাররা ভালো খেলেছে।’

এ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে গতকাল ঢাকায় ফেরা বিসিবি সভাপতি ১০ নভেম্বর নাগপুরে শেষ ম্যাচ দেখতে আবার যাবেন ভারতে। তার শেষ কথা ও মূল্যায়ন, এ সিরিজে জাতীয় দলের পাইপলাইন খানিক মজবুত হবে। পাইপলাইনের কিছু জায়গা তরুণদের দিয়ে ভরা হবে। সুত্র: জাগো নিউজ


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।