৯, ডিসেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

গাইবান্ধা ও জামালপুরে ভাঙছে নদী

প্রকাশিত: ১০:১১ পূর্বাহ্ণ , নভেম্বর ১৫, ২০১৯

গাইবান্ধা ও জামালপুরে ভাঙছে নদী
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমলেও দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। কয়েক দফা ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দিশেহারা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার হাজারো পরিবার।এদিকে,যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ৪টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা।ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ,যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণে স্থায়ী ব্যবস্থা না নেয়ায় বেড়েই চলেছে ভাঙ্গনের তীব্রতা। তবে স্থায়ীভাবে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গাইবান্ধায় সাম্প্রতিক বন্যার পর ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমে আসলেও অব্যাহত ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে ফুলছড়ি উপজেলার নদীতীরবর্তী অঞ্চল।দফায় দফায় ভাঙ্গণে উপজেলার কাতলামাড়ি,মুন্সিপাড়া, কালিরখেশ ও নবাবগঞ্জসহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার পরিবারের বাড়িঘড় নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরকার ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করলেও তা থেকে বাদ পরে ওই এলাকার প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ। তাই ভাঙ্গন আতঙ্ক কাটেনি নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের।
তবে,ভাঙ্গন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নদী তীর রক্ষা প্রকল্প থেকে বাদ পড়া প্রায় ২ কিলোমিটার অংশেও বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।
এদিকে,বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের তীব্র ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা।সেখানকার দু’টি গুচ্ছগ্রাম খোলাবাড়ী ও বরখালসহ চরমাগুরিহাট ও চর ডাকাতিয়া গ্রামের চারশ’রও বেশি ঘরবাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে।
ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে নৌথানা, খোলাবাড়ির চর বাজার ও উপজেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটিও। ভাঙ্গন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে নদীতে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা কাজে আসছেনা।সহায় সম্বল হারিয়ে এ অঞ্চলের নিঃস্ব মানুষ খোলা আকাশের নীচে অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।
ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধানে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পোল্লাকান্দি থেকে সরিষাবাড়ী হয়ে টাংঙ্গাইলের ভুয়াপুর পর্যন্ত নদী রক্ষা বাঁধ নির্মানের কথা জানালেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।
তিনি জানালেন,এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেওয়ানগঞ্জসহ যমুনার তীরবর্র্তী অনেক এলাকা নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।