১৬, ডিসেম্বর, ২০১৯, সোমবার | | ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে নিভৃতে কাঁদছে ছাত্রনেতা মোতাহার!

প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ , নভেম্বর ১৮, ২০১৯

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে নিভৃতে কাঁদছে ছাত্রনেতা মোতাহার!

সিএনআই ডেস্ক: আওয়ামী লীগে কাউয়া বা অনুপ্রবেশকারীদের কারণে যে দলের ত্যাগী ও সাচ্চা নেতা-কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই কারণ, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোতাহার হোসেন রানার একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তিনি ছিলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি জসিম উদ্দিন হলের সাবেক সভাপতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রথম কাতারের নেতা হওয়া সত্বেও তিনি আজ নিজ দলের কাছে অবহেলীত। অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীদের দাপটে ত্যাগী নেতারাও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তবে কেউ কেউ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও তার দলকে ভালোবেসে নিরবে নিভৃতে কাঁদছেন।

ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতার ছবি সেয়ার দিয়ে ফেসবুক পেজে অনেকে অনেক কিছু লিখেছেন। রফিকুল ইসলাম নামে একজন লেখেছেন, “মোতাহার হোসেন রানার মতো দেশে অসংখ্য সাবেক নেতা রয়েছেন যারা দল ও দলের নেতাদের কাছে কোন মূল্য পাননা।’ যারা দলের জন্য একটা সময় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে কিন্তু আজ তারা নিরুপায় হয়ে আছে। অন্যদিকে অনুপ্রবেশকারীরা তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।”

মোতাহার হোসেন রানাকে নিয়ে জোবায়দুল হক রাসেল তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপার দুর্দিনের নেতা- কর্মীদের মুল্যায়ন করা হোক। অনেক পুরাতন শার্ট, টুপি পরিহিত ও আশাহীন চোখে তাকিয়ে থাকা মানুষটির নাম- মোতাহার হোসেন রানা ভাই। সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। সাবেক সভাপতি, কবি জসিম উদ্দিন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক সভাপতি, মিরশ্বরাই থানা ছাত্রলীগ। ৯০-এ স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রথম কাতারের নেতা ছিলেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এক সভায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে ৫ মিনিট বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। সভামঞ্চে তার বক্তব্য শুনে দেশরত্ন শেখ হাসিনা খুশী হয়ে তার নাম, ঠিকানা ডায়রীতে টুকে নিয়েছিলেন সেদিন।

১৬ই নভেম্বর মিরশ্বরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ছিল। উপস্থিত দর্শকের সারিতে চেয়ারে এমন অসহায় হয়ে বসেছিলেন একসময়ের মাঠ কাপানো সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোতাহার হোসেন রানা ভাই। কিন্ত সভামঞ্চে তারই হাতে গড়া কর্মী, সহযোদ্ধা অনেকে ভালো থাকলেও কেউ তার খবর রাখেনি।

সংগ্রাম আর ত্যাগের এটাই সত্য। জয় হোক রানা ভাইয়ের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সারা বাংলার সকল মুজিব প্রেমী কর্মীদের। জয় বাংলা – জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক।


সিএনআই’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।