৯ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, বৃহস্পতিবার
১৬ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

পিপিই রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করছে তিনটি দেশ- ডাব্লিউটিও

সিএনআই ডেস্কঃ দেশে যথেষ্ট পরিমাণ পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট বা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় করোনা আক্রান্তদের সেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছেন চিকিৎসকেরা। বিশ্বজুড়ে পিপিই’র এত আকাশচুম্বি চাহিদা তৈরি হলো- কারা নিয়ন্ত্রণ করছে এই পিপিই তার একটি ধারণা দিয়েছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও)। সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি জানিয়েছে, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পিপিই রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ করছে তিনটি দেশ। ১৭ শতাংশ পিপিই রপ্তানি করে শীর্ষে আছে চীন। ১৩ শতাংশ রপ্তানি করে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি। আর ১০ শতাংশ পিপিই রপ্তানি করে তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। ৪০ শতাংশ পিপিই রপ্তানি করে এই তিনটি দেশ মূল ভূমিকা পালন করে। বিশ্বব্যাপী নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর চীন এরইমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিপিই পাঠাচ্ছে। ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বেশ কিছু পিপিই চীন থেকে পেয়েছে সরকার। অন্য দুটি দেশও পাঠাচ্ছে তবে সীমিত পরিসরে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বলছে, ২০১৯ সালে বিশ্বে ১৩৫ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থের পিপিই বিক্রি হয়েছে। তবে এবার যে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে তা সহজেই অনুমেয় বলছে ডাব্লিউটিও। এদিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও) এবং বিশ্ব শুল্ক সংস্থা (ডাব্লিওসিও) যৌথভাবে এক বিবৃতিতে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সবগুলো দেশকে আন্তসীমান্ত বাণিজ্য সহজ করার তাগিদ দিয়েছে। ডাব্লিউটিও’র মহাপরিচালক রবার্তো অ্যাজেভেদো এবং ডাব্লিওসিও সেক্রেটারি জেনারেল ড. কুনিও মিকুরিয়া যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। কভিড ১৯ এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যেসব স্বাস্থ্য সরঞ্জাম অত্যাবশ্যক সেসব সরঞ্জাম যাতে খুব সহজে প্রতিটি দেশ আমদানি ও রপ্তানি করতে পারে সেজন্য আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সহজ করতে হবে। যাতে করে খুব দ্রুততার সঙ্গে স্বাস্থ্য সরঞ্জাম পৌছে যেতে পারে। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ ও ল্যান্ড লকড দেশগুলোর দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে ডাব্লিউটিও এবং ডাব্লিউসিও।