৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং, রবিবার
১১ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

সজনে ডাটার কেজি ১৮০ টাকা

  সিএনআই ডেস্কঃ করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে রাজধানীর বাজারগুলোতে তুলনামূলক কম দামে সবজি বিক্রি হলেও নতুন আসা সজনে ডাটার দাম বেশ চড়া। এক কেজি সজনের ডাটা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। যেখানে বেশিরভাগ সবজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে রামপুরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা সজনে ডাটার কেজি বিক্রি করছেন ১৮০ টাকা। তবে এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) নিলে দাম রাখা হচ্ছে ৫০ টাকা। একই দামে সজনের ডাটা বিক্রি হতে দেখা যায় খিলগাঁও বাজারে। তবে মালিবাগ হাজীপাড়া বৌ-বাজারে কেজি ১৬০ টাকা এবং এক পোয়া ৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। সজনের ডাটার এমন দামের বিষয়ে রামপুরার ব্যবসায়ী রুবেল বলেন, সজনের ডাটা বাজরে নতুন আসতে শুরু করেছে। এখন সজনের ডাটার বেশ চাহিদা রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ তুলনামূলক কম। এ কারণে দাম একটু বেশি। তাছাড়া প্রতিবছরের শুরুর দিকে সজনের ডাটার কেজি একশ টাকার ওপরে থাকে। আস্তে আস্তে দাম কমতে থাকে। হাজীপাড়া বৌ-বাজারের ব্যবসায়ী রহিম বলেন, এই বাজারের ক্রেতাদের বেশিরভাগ নিম্ন আয়ের মানুষ। এখানে অন্য বাজারের তুলনায় সবজির দাম তুলনামূলক কম। আমরা এখন সজনের ডাটার পোয়া বিক্রি করছি ৪০ টাকা। গত শুক্রবার এক পোয়া ৩৫ টাকায় বিক্রি করেছি। দুদিন ধরে সজনের ডাটার দাম একটু বেশি। মাল কম আসা দাম বাড়ার একটি কারণ হতে পারে। তাছাড়া সজনের ডাটা সবার কাছেই পছন্দের। এদিকে বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৪০-৫০ টাকা, শশা ২০-৩০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, পাকা টমেটো ২০-৪০ টাকা, শিম ২০-৪০ টাকা, গাঁজর ২০-৩০ টাকা, মুলা ১৫-২০ টাকা, বেগুন ২০-৪০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এসব সবজি এমন দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছুটা দাম কমেছে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের। ১৫-২০ টাকা পোয়া বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। অবশ্য রসুন ও আদার দাম এখনও বেশ চড়া। আমদানি করা রসুন ১৭০-১৮০ টাকা এবং দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৮০ টাকা। খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, সজনের ডাটা ছাড়া এখন সব ধরনের সবজির দাম তুলনামূলক কম। ছুটির কারণে ঢাকা থেকে অনেক মানুষ গ্রামে চলে গেছেন। আবার যারা ঢাকায় আছেন তারা ঘর থেকে এখন খুব একটা বের হচ্ছে না। যে কারণে ক্রেতার সংখ্যাও কম। আমাদের ধারণা করোনা আতঙ্ক কেটে গেলে সবজির দাম কিছুটা বাড়তে পারে।