মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ ইং

বরগুনায় ক্রমেই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে আম্ফান

বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে দুপুরের পর থেকে যতই সময় গড়াচ্ছে ততোই বাড়ছে বাতাসের গতি। সকাল থেকেই বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। সকালের জোয়ারে ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে জেলার নিম্নাঞ্চল। তলিয়ে গেছে বসতবাড়িসহ ফসলের ক্ষেত। সন্ধ্যার পরে বাতাসের গতির সাথে সাথে জোয়ারের পানি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নদী তীরবর্তী ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। এতে জেলার আমতলী, তালতলী ও পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে তলিয়ে যেতে পারে অনেক বসতবাড়ি। রান্নাঘরসহ যাবতীয় তৈজসপত্র ভিজে যাওয়ার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারী হাজার হাজার এলাকাবাসী। এদিকে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সিপিপি ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর তৎপরতায় ইতোমধ্যেই জেলার ৬১০টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার নারী ও শিশুসহ প্রায় দেড় লাখ মানুষ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অধিকাংশ আশ্রয় কেন্দ্রে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্যবস্থা করা হয়েছে ইফতার ও রাতের খাবারের। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর প্রচন্ড উত্তাল রয়েছে। উত্তাল রয়েছে জেলার প্রধান তিনটি নদী পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার লঞ্চ চলাচলসহ খেয়া-পারাপার জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি চৌধুরী গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে কোনো ট্রলারডুবির তথ্য তার কাছে নেই। তবে বঙ্গোপসাগর যে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে তাতে যে কোনো সময় খারাপ কোনো খবর শুনতে হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।