৩০শে মার্চ, ২০২০ ইং, সোমবার
৬ই শাবান, ১৪৪১ হিজরী

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কি হয় জেনে নিন

সিএনআই ডেস্ক: ইসলাম ধর্মে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করা হয়েছে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব না করার জন্য রাসুল (স.) সুস্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন তার হাদিসে। ফিকহের পরিভাষায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করাকে মাকরূহে তাহরিমি বলে অভিহিত করা হয়েছে। অনেক হাদিসে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব না করা সংক্রান্ত নির্দেশনা এসেছে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ব্যাপারে মহানবীর নিষেধাজ্ঞা পনেরোশ বছর পর চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশেষভাবে সমর্থন করছে। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী প্লোস ওয়ানের এক জরিপ অনুযায়ী, যেসব পুরুষের প্রোস্টেটে জ্বালাপোড়ার সমস্যা থাকার কারণে প্রস্রাবে সমস্যা হয়, তাদের বসে প্রস্রাব করাই উত্তম। বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ওই গবেষণায় সুস্থ পুরুষ এবং প্রোস্টেটে সমস্যা আছে তাদের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, যেসব পুরুষের প্রোস্টেটে সমস্যা, অর্থাৎ লোয়ার ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সিম্পটম রয়েছে, তাদের জন্য বসে মূত্রত্যাগ করলে মূত্রনালিতে চাপ কম পড়ে এবং এর ফলে প্রস্রাবের কাজটি আরামদায়ক এবং দ্রুত সমাধা সম্ভব। তবে স্বাস্থ্যবান পুরুষদের জন্য বসে বা দাঁড়িয়ে মূত্রত্যাগে বিশেষ কোনো পার্থক্য ওই গবেষণায় দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যাদের মূত্রত্যাগে সমস্যা রয়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বলছে, তাদের উচিত আরামদায়ক এবং শান্ত পরিবেশে বসে প্রস্রাব করা। ইতিমধ্যেই আপনারা শুনেছেন যে, বসে মূত্রত্যাগ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার ঠেকানো সম্ভব এবং এর ফলে পুরুষের যৌন জীবন আরো ভালো করতে পারে। যদিও ওই গবেষণায় এর পক্ষে বিপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। মূত্রত্যাগের শারীরিক প্রক্রিয়া: প্রস্রাব উৎপাদন হয় মানুষের কিডনিতে, যা আমাদের রক্ত থেকে বর্জ্যকে সরিয়ে দেয়। এরপর সেটি ব্লাডারে সংরক্ষিত হয়। যার ফলে যখন-তখন টয়লেটে যাবার বেগ ছাড়াই আমরা দৈনন্দিন কাজকর্ম যথাযথভাবে করতে পারি এবং ঘুমাতে পারি। ব্লাডারের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ৩০০ থেকে ৬০০ মিলিলিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে ব্লাডার সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ ভর্তি হলেই মানুষ প্রস্রাবের বেগ অনুভব করে।