১৭, অক্টোবর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ সফর ১৪৪১

সরকারের ক্লিয়ারেন্স পেলেই পাকিস্তান সফর: পাপন

স্পোর্টস ডেস্ক: দেশে জীবনের নিশ্চয়তা নেই, অস্ত্রের ঝনঝনানি, সন্ত্রাসী হামলা ও বোমাবাজিতে প্রাণনাশ যে দেশে প্রায় নিত্যদিনকার ঘটনা, সেই পাকিস্তানে বাংলাদেশের নারী ও পুরুষ ক্রিকেট দল পাঠানো নিয়ে আসলে কি ভাবছে বিসিবি? বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আবুধাবি গিয়েছিলেন আইসিসির সভায় যোগ দিতে। সেখানে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রধান এহসান মানিও উপস্থিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ওই সফর নিয়ে কোন কথা হয়েছে কি না? তা জানতেও উন্মুখ হয়ে অপেক্ষায় ছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট অনুরাগিরা। যারা এ সময়োচিত প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন, তাদের জন্য আজই কথা বলেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মঙ্গলবার বিকেলে আইসসির সভা শেষে রাজধানীতে ফেরা বিসিবি সভাপতি প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ওখানে বসে পাকিস্তান সিরিজ নিয়ে কোনো কথা হয়নি।’ তবে এর বাইরে বিসিবি সভাপতি সেই পুরনো কথাই নতুন করে বলেছেন। তিনি সোজা-সাপটা জানিয়ে দিয়েছেন, আসলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল আগে যাবে। তারা পাকিস্তানের নেয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখবেন। এবং তারা দেশে ফিরে একটি প্রতিবেদনও জমা দেবেন। তার ওপর ভিত্তি করে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় সিদ্ধান্ত নেবে। সরকারের অনুমতি বা সবুজ সঙ্কেত পেলেই কেবল পাকিস্তানে দল পাঠানো হবে। অন্যথায় নয়। সে কারণেই বিসিবি প্রধানের মুখে এমন কথা, আমাদের একটি পর্যবেক্ষণ দল যাবে। পর্যবেক্ষক দলের দেয়া রিপোর্টের উপর সবকিছু নির্ভর করছে। নিরাপত্তা দল যাচ্ছে, আমরা যতটা শুনেছি যে একটু দেরি করতে হচ্ছে। কারণ ওরা একটি চিঠি দিয়েছে যে, ১৭ তারিখে দল যাবে। এরপর রিপোর্ট পাবো, তার পর আমরা আসলে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। এটা পুরোটা আমাদের হাতে নয়। নিরাপত্তা হলো আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাধান্যের বিষয়। সেটা যদি ঠিক না থাকে তাহলে কোনো লাভ হবে না।’ বিসিবি সভাপতি আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন নারী দলের পাকিস্তান সফরও নির্ভর করছে নিরাপত্তা রিপোর্টের ওপর। তার ভাষায় নিরাপত্তা ইস্যু সমান, সেটি নারী দল, অনূর্ধ্ব-১৭ – যে দলই হোক না কেন। নিরাপত্তার ক্লিয়ারেন্স যদি আমরা পাই তাহলে ওখানে দল পাঠাতে পারবো। এমনিতে পাঠাতে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। আমরা পুরো প্রস্তুত আছি। তবে প্রথমে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছ থেকে নিরাপত্তার ক্লিয়ারেন্সটা দরকার।’