২১শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার
২৬শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

বিকেলে শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) শুরু হচ্ছে উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিকেল ৩টায় দুই দিনব্যাপী এ জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশন বসবে। সেখানে প্রথমে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত করবেন কাউন্সিলররা। সে ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বিকল্প এখন পর্যন্ত কেউ না থাকায় পুনরায় তিনি সভাপতি নির্বাচিত হবেন, এটা নিশ্চিত। এরপর অধিবেশনে উপস্থিত কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে একজন সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রস্তাব করলে আরেকজন তা সমর্থন করবেন। এভাবে চূড়ান্ত হবে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এরপর আওয়ামী লীগের রীতি অনুযায়ী কাউন্সিলররা নবনির্বাচিত সভাপতির ওপর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ভার ন্যস্ত করবেন। সম্মেলন শেষে কয়েক দিন পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগে এই রীতিই চলে আসছে। কিন্তু এবার হতে পারে এর ব্যতিক্রম। দলটির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র কালের কণ্ঠকে জানায়, আগামীকাল শনিবার আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার পর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত নেতাদের নাম ঘোষণা করার প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর একজন আস্থাভাজন দলীয় নেত্রীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির এই তালিকা চূড়ান্ত করছেন। সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশমতো ওই নেত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করছেন। আজ সকালে সম্মেলন শুরুর আগে এই তালিকা পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সঙ্গে যুক্ত একাধিক নেতা কালের কণ্ঠকে জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সম্মেলনে যে ভাষণ দেবেন তা বুধবার পুস্তিকা আকারে ছাপানো হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের আট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতির ভাষণটি জেলা, মহানগরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সম্মেলনের আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভাষণসহ অন্য প্রকাশনাগুলো সংবলিত একটি ব্যাগ কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের হাতে দেওয়া হবে। প্রচার ও প্রকাশা উপকমিটির সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি তাঁর ভাষণে জনগণের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নিবিড় সম্পর্কের কথা তুলে ধরবেন। জনগণের ভাষা ও চাহিদা যে শুধু আওয়ামী লীগই বুঝতে পারে এবং সে কারণেই মানুষ বারবার আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করে সে বিষয়গুলোও থাকবে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। জনগণের আস্থা ও ভরসার সংগঠন হলো আওয়ামী লীগ। নেতাকর্মীদের প্রতি এই সম্পর্ক ধরে রাখার তাগিদ দেবেন শেখ হাসিনা।