১৭, অক্টোবর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ সফর ১৪৪১

যেভাবে ব্রঙ্কাইটিসের হাত থেকে শিশুকে বাঁচাবেন

সিএনআই ডেস্কঃ বর্ষার মেঘ কেটে গিয়ে একটু একটু ঠাণ্ডা পড়তে শুরু করেছে। আর এই আবহাওয়া বদলের সময় একটু অসতর্ক হলেই সর্দি, কাশি। হতে পারে ফুসফুসের সমস্যা বা ব্রঙ্কাইটিস। বিশেষ করে যাদের গায়ে ঘাম শুকিয়ে গিয়ে চট করে সর্দি-কাশির প্রবণতা রয়েছে বা যারা হাঁপানির সমস্যায় ভোগেন, তারা ঠাণ্ডা-গরমে এই ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা থেকে রেহাই পান না। ব্রঙ্কাইটিস হল এক ধরনের সংক্রমণ। এই রোগে আক্রান্ত হলে কাশি, থকথকে কফ ওঠাসহ আরও নানা ধরনের লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে থাকে। হাঁপানি বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে ব্রঙ্কাইটিসের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। এ ছাড়াও চারপাশের ধুলাবালি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ব্রঙ্কাইটিস যে কোনও বয়সেই হতে পারে। তবে বয়স্ক মানুষ বা ছোট শিশুদের ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এই সমস্যায় স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ক্লান্ত লাগে। এ ছাড়াও অনেকের এ ক্ষেত্রে পা, পায়ের পাতা বা গোড়ালি ফুলে উঠতে পারে। বুকের ভেতর সাঁই সাঁই শব্দও হতে পারে। এ লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে চিকিত্‍সকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তবে ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে শুধু ওষুধের ওপর ভরসা না করে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন অত্যন্ত জরুরি। ব্রঙ্কাইটিস রুখতে চাইলে নিতে হবে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ। যাদের হাঁপানির সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এই সময় শিশুদের সামনে ধুমপান যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। বাইরের ধুলাবালি থেকে যতটা সম্ভব বাঁচিয়ে চলুন। সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। যোগাসনও খুব ভাল উপায়। নিয়মিত প্রাণায়াম ফুসফুসের সমস্যা দূর করে, রক্ত চলাচল বাড়িয়ে তোলে। তবে শিশুদের জন্য প্রাণায়ামের প্রয়োজন নেই। কারণ সঠিক পদ্ধতিতে প্রাণায়াম না করলে উল্টো বিপদ আরও বাড়বে।